SSC বাংলা ২য় পত্র বোর্ড প্রশ্ন 2020

মোট 270+ বোর্ড প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ

প্রশ্ন 1

সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য কোন যতি চিহ্নের ব্যবহার হয়?

  • A

    কোলন চিহ্ন

  • B

    হাইফেন চিহ্ন

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    সেমিকোলন চিহ্ন

  • D

    ড্যাস চিহ্ন

সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যেমন: শ্রদ্ধা-অভিনন্দন, প্রীতি-উপহার।

প্রশ্ন 2

'আমাকে সাহায্য করুন।'-কী অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?

  • A

    অনুরোধ

  • B

    আদেশ

  • C

    প্রার্থনা

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    উপদেশ

আমাকে সাহায্য করুন।'-প্রার্থনা অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে।

প্রশ্ন 3

কোন বাক্যে কর্তায় 'এ' বিভক্তির উদাহরণ দেওয়া হয়েছে?

  • A

    পাগলে কিনা বলে

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    বনে বাঘ আছে

  • C

    ফুলে ফুলে বাগান ভরেছে।

  • D

    অন্ধজনে দেহ আলো

সঠিক উত্তর হলো ক) পাগলে কিনা বলে

ব্যাখ্যা: 'পাগলে' শব্দটির মূল শব্দ 'পাগল', যার সাথে 'এ' বিভক্তি (পাগল+এ) যুক্ত হয়েছে। এখানে 'পাগল' কাজটি করছে, তাই এটি কর্তৃকারক এবং এখানে 'এ' বিভক্তির প্রয়োগ হয়েছে। 

অন্যান্য বিকল্পের ব্যাখ্যা:

  • খ. বনে বাঘ আছে: 'বনে' (বন+এ) হলো অধিকরণ কারক (স্থান বোঝাচ্ছে)।

  • গ. ফুলে ফুলে বাগান ভরেছে: 'ফুলে ফুলে' (ফুল+এ) হলো করণ কারক (উপকরণ বোঝাচ্ছে)।

  • ঘ. অন্ধজনে দেহ আলো: 'অন্ধজনে' (অন্ধজন+এ) হলো সম্প্রদান কারক (স্বত্ব ত্যাগ করে দান)।

প্রশ্ন 4

কোন কোন ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস জোরে সংযোজিত হয়। এরূপ ধ্বনিকে কী বলে?

  • A

    ঘোষ

  • B

    অল্পপ্রাণ

  • C

    মহাপ্রাণ

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    অঘোষ

যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস জোরে সংযোজিত হয়, তাদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। মহাপ্রাণ ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে বেশি পরিমাণে বায়ু বের হয়, যার ফলে উচ্চারণে জোর বেশি থাকে। 🌬️

প্রশ্ন 5

'কাছা টিলা'-বান্ধারাটির অর্থ কী?

  • A

    অপদার্থ

  • B

    অকর্মা

  • C

    অসাধু

  • D

    অসাবধান

    ✓ সঠিক উত্তর

কাছা ঢিলা বাগধারাটির অর্থ হলো অসাবধান।

প্রশ্ন 6

'বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে'- এটি কোন বাচ্য?

  • A

    কর্তৃবাচ্য

  • B

    কর্মবাচ্য

  • C

    ভাববাচ্য

  • D

    কর্মকর্তৃবাচ্য

    ✓ সঠিক উত্তর

যে বাক্যে কর্মপদই কর্তৃস্থানীয় হয়ে বাক্য গঠন করে তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বাক্য বলে। যেমন: বাঁশি বাজে ঐ মধুর লগনে, সুঁতি কাপড় অনেকদিন টেকে।

প্রশ্ন 7

'ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি'-এর সংকুচিত রূপ হলো-

  • A

    ঐতিহাসিক

  • B

    ইতিহাসবেত্তা

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    ইতিহাসিক

  • D

    ইতিহাসবিদ

ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ইতিহাসবেত্তা, ইতিহাস রচনা করেন যিনি - ঐতিহাসিক।

প্রশ্ন 8

একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে কী বলে?

  • A

    স্বরলোপ

  • B

    অসমীকরণ

  • C

    স্বরসংগতি

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    অপনিহিতি

একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি (Vowel Harmony) বলে, যেখানে একটি স্বরের প্রভাবে অন্য স্বর পরিবর্তিত হয় (যেমন: দেশি > দিশি, মূলা > মূলো), এবং এটি প্রগত, পরাগত ও মধ্যগত স্বরসঙ্গতি—এই তিন ভাগে বিভক্ত। 

প্রশ্ন 9

কোনটি পশ্চাৎ দন্তমূলীয় বর্ণ?

  • A

  • B

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

  • D

পশ্চাৎ দন্তমূলীয় বর্ণ গুলি হলো: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ষ, র, ড়, ঢ়।

প্রশ্ন 10

আশ্রিত খণ্ডবাক্য কত প্রকার?

  • A

    তিন প্রকার

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    চার প্রকার

  • C

    পাঁচ প্রকার

  • D

    হয় প্রকার

আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রধানত তিন প্রকার: বিশেষ্য স্থানীয়, বিশেষণ স্থানীয় এবং ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয়। এইগুলো জটিল বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে এরা বাক্যের বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া-বিশেষণের কাজ করে অর্থকে সম্পূর্ণ করে। 

প্রশ্ন 11

সমধাতুজ কর্মপদের উদাহরণ কোনটি?

  • A

    খোকাকে কাঁদিও না।

  • B

    সাইরেন বেজে উঠল।

  • C

    সাপুড়ে সাপ খেলায়।

  • D

    বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি।

    ✓ সঠিক উত্তর

সমধাতুজ কর্মপদ বলতে বোঝায়—যেখানে কর্মপদটি ক্রিয়ার সঙ্গে একই ধাতু (root) থেকে গঠিত।

এখন অপশনগুলো দেখি:

ক) খোকাকে কাঁদিও না → “খোকাকে” কর্ম, কিন্তু ধাতু এক নয় ❌

খ) সাইরেন বেজে উঠল → এখানে কর্মপদ নেই ❌

গ) সাপুড়ে সাপ খেলায় → “সাপ” কর্ম, কিন্তু ধাতু এক নয় ❌

ঘ) বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি → “ঘুম” (কর্ম) এবং “ঘুমিয়েছি” (ক্রিয়া) — একই ধাতু ✔️

সঠিক উত্তর: ঘ) বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি।

প্রশ্ন 12

'অন্বেষণ' এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?

  • A

    অনু + এষণ

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    অন্ব+এষণ

  • C

    অন্ব+ষণ

  • D

    অনু+ষণ

সঠিক উত্তর: (খ) অনু + এষণ

'অন্বেষণ' শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো 'অনু + এষণ'। এখানে 'অনু' এর 'উ-কার' এবং 'এষণ' এর 'এ-কার' মিলে 'বে' (ব্যঞ্জনবর্ণ) তৈরি হয়েছে। এটি স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলন।

অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল কারণ সেগুলির মাধ্যমে 'অন্বেষণ' শব্দের সঠিক ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বা উচ্চারণ প্রতিষ্ঠিত হয় না।

প্রশ্ন 13

বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুটো কী কী?

  • A

    অ আ

  • B

    ঐ ঔ

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    এ ও

  • D

    ই উ

বাংলা ভাষায় ২৫টি যৌগিক স্বরধ্বনি রয়েছে। তবে বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটো বর্ণ রয়েছে। ঐ এবং ঔ। উদাহরণ : কৈ, বৌ।

প্রশ্ন 14

কোন বাক্যটিতে যৌগিক ক্রিয়াপদ রয়েছে?

  • A

    তুমি এখন যেতে পারো।

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    আমি এইমাত্র এলাম।

  • C

    শিক্ষক মহোদয় বাংলা পড়াচ্ছেন।

  • D

    হামিদকে দেখে খুশি হলাম।

যৌগিক ক্রিয়াপদ হলো একটি মূল ক্রিয়া এবং একটি সাহায্যকারী ক্রিয়ার সমন্বয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ। এই বাক্যে, "যেতে পারো" হলো যৌগিক ক্রিয়াপদ। এখানে "যেতে" মূল ক্রিয়া এবং "পারো" সাহায্যকারী ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রশ্ন 15

বিশেষ নিয়মে সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?

  • A

    সেবিকা

  • B

    সুন্দরী

  • C

    নেত্রী

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    জেলেনী

সঠিক উত্তর: (গ) নেত্রী

বাংলা ব্যাকরণে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনের কিছু সাধারণ নিয়ম আছে, যেমন প্রত্যয় যোগ করে। কিন্তু কিছু শব্দ বিশেষ নিয়মে গঠিত হয়। 'নেতা' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'নেত্রী'। এখানে 'তা' প্রত্যয় পরিবর্তিত হয়ে 'ত্রী' হয়েছে, যা একটি বিশেষ নিয়ম।

এখন অন্যান্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

সেবিকা: এই শব্দটি 'সেবক' থেকে 'ইকা' প্রত্যয় যোগে গঠিত ('সেবক + ইকা = সেবিকা'), যা একটি সাধারণ নিয়ম।

সুন্দরী: 'সুন্দর' একটি বিশেষণ পদ, যেখানে সরাসরি কোনো প্রত্যয় যোগ না হয়ে বিশেষ নিয়মে স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করছে না, বরং এটি নিজেই স্ত্রীবাচক রূপ।

জেলেনী: এই শব্দটি 'জেলে' থেকে 'নী' প্রত্যয় যোগে গঠিত ('জেলে + নী = জেলেনী'), যা একটি সাধারণ নিয়ম।

2020 সালের আরও 255+ বোর্ড প্রশ্ন আছে

ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো
← বাংলা ২য় পত্র-এর সব অধ্যায় দেখো