মোট 225+ বোর্ড প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
'ফিটাস' কত সপ্তাহে পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়?
২৮ সপ্তাহ পরে ফিটাস পূর্নাঙ্গতা প্রাপ্ত হয়। ভ্রূণের দৈহিক বৃদ্ধি
ঘটতে থাকে।
কোন রঙের বর্ণান্ধতাকে সর্বজনীন বর্ণান্ধতা বলে?
লাল-সবুজ রঙের বর্ণান্ধতাকে সর্বজনীন বর্ণান্ধতা বলে।
স্বাভাবিকের চেয়ে শ্বসনের হার বেশি হবে-
i. কুঁড়ি ও মূলে
ii. কুঁড়ি ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
iii. মূল ও কাণ্ডে
নিচের কোনটি সঠিক?
i. কুঁড়ি ও মূলে: উদ্ভিদের ফুল ও পাতার কুঁড়ি এবং মূলের অগ্রভাগ অত্যন্ত বর্ধিষ্ণু অঞ্চল। তাই এখানে শ্বসনের হার বেশি থাকে।
ii. কুঁড়ি ও কাণ্ডের অগ্রভাগে: কাণ্ডের অগ্রভাগেও (Apical meristem) অনবরত কোষ বিভাজিত হয়, ফলে এখানেও শ্বসন হার অনেক বেশি।
iii. মূল ও কাণ্ডে: ভুল। উদ্ভিদের পরিণত বা বয়স্ক কাণ্ড এবং মূলের স্থায়ী অংশে কোষ বিভাজন হয় না বললেই চলে। তাই এসব জায়গায় শ্বসনের হার স্বাভাবিক বা কম থাকে, বেশি নয়।
নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ কত প্রকার?
নিউক্লিয়াসের গঠনের ভিত্তিতে কোষ দুই ধরনের, আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ।
ব্যাকটেরিয়াতে কোন অঙ্গাণুটি উপস্থিত?
রাজ্য 1: মনেরা (Monera):
বৈশিষ্ট্য: এরা এককোষী, ফিলামেন্টাস (একটির পর একটি কোষ লম্বালম্বিভাবে যুক্ত হয়ে ফিলামেন্ট গঠন করে), কলোনিয়াল। কোষে ক্রোমাটিন বস্তু থাকে কিন্তু নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয়ার পর্দা নেই। এদের কোষে প্লাস্টিড, মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা ইত্যাদি নেই, কিন্তু রাইবোজোম আছে।
উদাহরণ: নীলাভ সবুজ শৈবাল, ব্যাকটেরিয়া।
ক্রোমোসোমের প্রধান উপাদান কোনটি?
ক্রোমাটিন (তথা ক্রোমোজোম) মূলত DNA এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত জটিল কাঠামো, যা জেনেটিক বৈশিষ্ট্যসমূহ বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হওয়ার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
প্রকৃত কোষের ক্রোমোসোমে থাকে
i. RNA
ii. DNA
iii. হিস্টোন প্রোটিন
নিচের কোনটি সঠিক?
i. RNA: এটি সঠিক। ক্রোমোজোমে প্রধান উপাদান ডিএনএ হলেও এতে সামান্য পরিমাণে আরএনএ (RNA) এবং আরএনএ পলিমারেজ এনজাইম থাকে।
ii. DNA: এটি সঠিক। ক্রোমোজোমের মূল গাঠনিক এবং বংশগত উপাদান হলো ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা ডিএনএ (DNA)।
iii. হিস্টোন প্রোটিন: এটিও সঠিক। প্রকৃত কোষের বা ইউক্যারিওটিক কোষের ক্রোমোজোমে ডিএনএ অণুগুলো ক্ষারীয় হিস্টোন প্রোটিন (Histone Protein)-কে পেঁচিয়ে নিউক্লিওসোম গঠন করে শক্তভাবে অবস্থান করে।
বর্ণান্ধ রোগের জিনের অবস্থান কোথায়?
বর্ণান্ধ রোগের জিন সেক্স-ক্রোমোজোমে অবস্থান করে। এটি একটি এক্স-লিঙ্কড (X-linked) প্রচ্ছন্ন রোগ, যার কারণে পুরুষদের মধ্যে এই রোগ বেশি দেখা যায়, কারণ পুরুষদের একটি X ক্রোমোজোম থাকে।
মূলা মাটির নিচে হয়। কোনো কারণে মাটির বাইরে বেরিয়ে এলে তার বর্ণের পরিবর্তন ঘটে।
উক্ত মূলে পাওয়া যেতে পারে-
i. লিউকোপ্লাস্ট
ii. ক্যারোটিন
iii. ক্লোরোফিল
নিচের কোনটি সঠিক?
লিউকোপ্লাস্ট (Leucoplast):
যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, যেমন মূল, ভ্রূণ, জননকোষ ইত্যাদি সেখানে এদের পাওয়া যায়। এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে।
পিউরিন হলো-
পিউরিন এবং পাইরিমিডিন হলো নাইট্রোজেন বেস।
অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে যে শ্বসন হয় তাতে-
i. শ্বসনিক বস্তুর আংশিক জারণ হয়
ii. ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়
iii. বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে অবাত শ্বসন হয় তাতে- শ্বসনিক বস্তুর আংশিক জারণ হয়,ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয় এবং অল্প পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়।
শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পরাগায়ন সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তিনি একটি কদম ফুল দেখিয়ে বললেন, এতে এক ধরনের পরাগায়ন হয়।
উদ্দীপকের ফুলটির পরাগায়নের ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছে-
i. পরাগায়নের নিশ্চয়তা কম
ii. প্রজাতির বিশুদ্ধতা কমে যায়
iii. পরাগরেণু কম লাগে
নিচের কোনটি সঠিক?
কদম ফুল হলো এক ধরনের বাহক-নির্ভর (পাখি বা কীট-পরাগায়িত) ফুল, অর্থাৎ এতে সাধারণত পরস্পর (cross) পরাগায়ন হয়ে থাকে।
i. পরাগায়নের নিশ্চয়তা কম
সঠিক — বাহকের উপর নির্ভর করায় সবসময় পরাগায়ন নিশ্চিত হয় না।
ii. প্রজাতির বিশুদ্ধতা কমে যায়
সঠিক — পরস্পর পরাগায়নের ফলে ভিন্ন উদ্ভিদের পরাগ আসতে পারে, ফলে সংকর জাত তৈরি হয় ও বিশুদ্ধতা নষ্ট হয়।
iii. পরাগরেণু কম লাগে
ভুল — বাহকনির্ভর পরাগায়নে অনেক সময় বেশি পরাগরেণুর প্রয়োজন হয়, কারণ সবগুলো লক্ষ্যে পৌঁছায় না।
কোন বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম জীবাশ্ম আবিষ্কার করেন?
সর্বপ্রথম জীবাশ্ম আবিষ্কার করেন জেনোফেন। যদিও প্রদত্ত সাপোর্টিং ডিটেইলসে এই তথ্যের সরাসরি উল্লেখ নেই, তবে এটি একটি ঐতিহাসিক তথ্য যা বহুল পরিচিত। সাপোর্টিং ডিটেইলসে জীবপ্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক নামকরণ এবং ক্রোমোসোম আবিষ্কার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, কিন্তু জীবাশ্ম আবিষ্কারকের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
মূলা মাটির নিচে হয়। কোনো কারণে মাটির বাইরে বেরিয়ে এলে তার বর্ণের পরিবর্তন ঘটে।
উক্ত মূলে পাওয়া যেতে পারে-
i. লিউকোপ্লাস্ট
ii. ক্যারোটিন
iii. ক্লোরোফিল
নিচের কোনটি সঠিক?
লিউকোপ্লাস্ট (Leucoplast):
যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, যেমন মূল, ভ্রূণ, জননকোষ ইত্যাদি সেখানে এদের পাওয়া যায়। এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে।
চিত্রের অঙ্গাণুটিতে ২ অণু গ্লুকোজ হতে কত অণু CO₂ উৎপন্ন হয়?
১ অণু গ্লুকোজ থেকে CO2 তৈরি হয় ৬ অণু
অর্থাৎ ২ অণু গ্লুকোজ থেকে CO2 তৈরি হয় ১২ অণু।
2021 সালের আরও 210+ বোর্ড প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো