মোট 240+ বোর্ড প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
বাণীকন্ঠের কান্নার কারণ কী ছিল?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সুভা' গল্পে বাণীকন্ঠের কান্না ছিল তাঁর হৃদয়ের এক গভীর হাহাকার। বাণীকন্ঠ তাঁর বাক্প্রতিবন্ধী মেয়ে সুভাকে প্রচণ্ড ভালোবাসতেন।
সঠিক উত্তর: গ) পিতৃহৃদয়ের কাতরতা
কেন এই উত্তরটি সঠিক? (বিশ্লেষণ)
মমত্ববোধ ও বিষণ্ণতা: বাণীকন্ঠ অন্য মেয়েদের চেয়ে সুভাকে একটু বেশি ভালোবাসতেন কারণ সে ছিল বোবা এবং অসহায়। যখন সমাজের চাপে পড়ে সুভাকে কলকাতায় বিয়ে দেওয়ার (পাত্রস্থ করার) সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তখন বাণীকন্ঠের হৃদয় ভেঙে যায়।
বিচ্ছেদের বেদনা: বিয়ের আগের দিন শেষবারের মতো যখন তিনি সুভাকে তাঁর কোলে নিয়ে বসেন, তখন তাঁর দুচোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। এটি কেবল কোনো সামাজিক নিয়ম বা দুশ্চিন্তার কান্না ছিল না, বরং এটি ছিল এক কাতর পিতার তাঁর আদরের সন্তানকে দূরে পাঠিয়ে দেওয়ার বিচ্ছেদ বেদনা।
অসহায়ত্ব: বাণীকন্ঠ জানতেন সুভা এই অপরিচিত পরিবেশে গিয়ে কথা বলতে না পেরে কতটা একা হয়ে যাবে। এই আশঙ্কা এবং বিচ্ছেদের কষ্ট মিলিয়েই তাঁর পিতৃহৃদয় কাতর হয়ে পড়েছিল।
'আশা' কবিতায় বিত্ত-সুখের দুর্ভাবনায় কী কমে যায়?
আশা কবিতায় বিত্ত-সুখের দুর্ভাবনায় মানুষের আয়ু কমে যায়।
'একাত্তরের দিনগুলি' রচনায় লেখিকার 'মনে পাষাণভার'-এর কারণ কী?
পৃথিবীর সব দেশে নববর্ষ উদযাপনে কোনটিতে মৌলিক ঐক্য লক্ষ করা যায়?
পৃথিবীর সব দেশে নববর্ষ উদযাপনে পুনরুজ্জীবনের ধারণায় মৌলিক ঐক্য লক্ষ করা যায়।
সাহিত্যের কোন রূপটি লেখকের নিজস্ব মত, পথ, যুক্তি, বুদ্ধিকে কেন্দ্র করে লিখিত হয়?
সাহিত্যিকের নিজস্ব মত, পথ, যুক্তি এবং বুদ্ধিকে কেন্দ্র করে লিখিত সাহিত্যের রূপটি হলো প্রবন্ধ। প্রবন্ধে লেখক একটি নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুর ওপর তার ব্যক্তিগত ধারণা, বিশ্লেষণ এবং যুক্তিনির্ভর মতামত তুলে ধরেন।
শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় জলে পুড়ে মরে ছারখার, তবু মাথা নোয়াবার নয়।
উদ্দীপকের সাথে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ কোনটি?
সঠিক উত্তরটি হলো B: যার সঙ্গে যে রকম, সে রকম খেলবে বাঙালি।
'দুনিয়াটা মস্ত এক পরীক্ষাক্ষেত্র'- 'বহিপীর' নাটকে উক্তিটি কে করেছে?
বহিপীর - (সুর বদলে) ধৈর্যহারা হইবেন না জমিদার সাহেব। দুনিয়াটা সত্যি কঠিন পরীক্ষাক্ষেত্র। কিন্তু দেখিতেছেন না এই বজরাতে ভাগ্যের কেমন অত্যাশ্চর্য লীলাখেলা চলিতেছে? ইহা সবই খোদার ইঙ্গিতে হইতেছে। আপনি বুকে সাহস ধরুন; আপনার সমস্যারও সমাধান হইবে! জমিদার সাহেব, আপনার ছেলেকে একটু ডাকিবেন?
'সেই রেল লাইনের ধারে মেঠো পথটার পরে দাঁড়িয়ে এক মধ্যবয়সী নারী এখনো রয়েছে হাত বাড়িয়ে'-
চরণের মধ্যবয়সী নারীর সাথে 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতার প্রতিনিধি চরিত্র কোনটি?
'রাত শেষ হয়ে সূর্য উঠবে কবে'-বাক্যে 'রানার' কবিতায় কীসের প্রত্যাশা করা হয়েছে?
'রাত শেষ হয়ে সূর্য উঠবে কবে' - এই বাক্যে 'রানার' কবিতায় শোষণ-বঞ্চনার অবসান প্রত্যাশা করা হয়েছে। 🌅 এই লাইনটি একটি নতুন দিনের আগমনের প্রতীক, যেখানে রানার ও সমাজের বঞ্চিত মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও শোষণ শেষ হবে, এবং তাদের জীবনে মুক্তি ও শান্তি ফিরে আসবে। 🕊️
ছেলেটার বয়স হবে বছর দশেক
পথে ঘরে মানুষ
মার খায় দমাদম
গাল খায় অজস্র
ছাড়া পেলেই আবার দেয় দৌড়।
উদ্দীপক ও 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে যা ফুটে ওঠে তা হলো-
i. সোনালি শৈবব স্মৃতি
ii. ভবঘুরে জীবনচিত্র
iii. কৈশোরের চঞ্চলতা
নিচের কোনটি সঠিক?
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের অপু এবং উদ্দীপকের ছেলেটির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের আলোকে সঠিক উত্তর হলো:
সঠিক উত্তর: খ) i ও iii
বিশ্লেষণ:
i. সোনালি শৈশব স্মৃতি: 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পটি মূলত অপুর গ্রামীণ শৈশবের মায়াময় ও দুরন্ত স্মৃতির ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদ্দীপকেও একটি শিশুর প্রতিদিনের চঞ্চল জীবন এবং শাসন-বারণের মাঝেই তার বেড়ে ওঠার স্মৃতিময় চিত্র ফুটে উঠেছে।
iii. কৈশোরের চঞ্চলতা: উদ্দীপকের ছেলেটি মার খেয়েও বা বকা খেয়েও আবার দৌড় দেয়, যা তার অদম্য চঞ্চলতা ও প্রাণের স্পন্দনকে প্রকাশ করে। গল্পের অপুও ঠিক এমন—মায়ের শাসন বা দিদি দুর্গার ডাক উপেক্ষা করে সে প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়ায়, আমের কুশি কুড়ায় বা রোদে দৌড়ঝাঁপ করে। এই নিরন্তর ছুটোছুটি আর দুরন্তপনাই উভয়ের সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
নতুন প্রজন্মকে নির্দেশ করতে 'স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো' কবিতায় কোন কথাটি ব্যবহৃত হয়েছে?
সঠিক উত্তর: (খ) আগামী দিনের কবি
'স্বাধীনতা, এ শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো' কবিতায় নতুন প্রজন্মকে নির্দেশ করতে 'আগামী দিনের কবি' কথাটি ব্যবহৃত হয়েছে। এই বাক্যাংশটি ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেওয়া এবং স্বাধীন দেশের স্বপ্ন পূরণ করার সম্ভাবনাময় প্রজন্মকে ইঙ্গিত করে।
'মানুষ' কবিতায় মোল্লা ও পুরোহিতের আচরণে কী ফুটে উঠেছে
মানুষ কবিতায় মোল্লা ও পুরোহিতের আচরণে তাদের অমানবিকতা ও স্বার্থপরতা ফুটে উঠেছে। তারা তাদের নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে এবং অসহায় মানুষের প্রতি কোনো সহানুভূতি দেখায় না। তারা ক্ষুধার্ত মানুষকে খাদ্য না দিয়ে মন্দির বা মসজিদের পবিত্রতার দোহাই দেয়, যা তাদের চরম স্বার্থপরতা ও অমানবিকতার প্রমাণ।
'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধে লেখক আমাদের অধঃপতনের যে কারণ নির্দেশ করেছেন তা হলো-
i. গণজাগরণের অভাব
ii. সাম্প্রদায়িক মনোভাব
iii. শ্রমজীবীদের অবহেলা
নিচের কোনটি সঠিক?
‘উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন’ প্রবন্ধে লেখক আমাদের অধঃপতনের যে কারণগুলো নির্দেশ করেছেন তা হলো:
সুতরাং, i ও iii সঠিক। সাম্প্রদায়িক মনোভাবের কথা প্রবন্ধে অধঃপতনের কারণ হিসেবে উল্লেখ নেই।
শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় জলে পুড়ে মরে ছারখার, তবু মাথা নোয়াবার নয়।
উদ্দীপকের সাথে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার চেতনাগত সাদৃশ্য কীসে?
উদ্দীপকের সাথে 'সাহসী জননী বাংলা' কবিতার সংগ্রামী চেতনায় সাদৃশ্য রয়েছে। উভয় কবিতাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও অবিচল সংগ্রামের কথা বলে।
মোতাহের হোসেন চৌধুরীর মতে মানুষের আত্মিক মৃত্যু হয় কীসে?
মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব’ প্রবন্ধ অনুসারে, মানুষের আত্মিক মৃত্যু হয় খ
লোভের কারণে।
ব্যাখ্যা: লেখকের মতে, মানুষের দুটি সত্তা—একটি জীবসত্তা (প্রাণিত্ব), অন্যটি মনুষ্যত্ব। কেবল জীবসত্তার প্রভাবে বা ভোগের লালসায় মগ্ন থাকলে মানুষের আত্মিক বা মনুষ্যত্বের মৃত্যু ঘটে।
2019 সালের আরও 225+ বোর্ড প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো