SSC কৃষিশিক্ষা বোর্ড প্রশ্ন 2019

মোট 50+ বোর্ড প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ

প্রশ্ন 1

বিনা চাষে কোন ফসল উৎপাদন করা যায়?

  • A

    পান

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    তুলা

  • C

    মূলা

  • D

    ধান

বিনা চাষে বা শূন্য কর্ষণ (Zero Tillage) পদ্ধতিতে ফসল ফলানো একটি আধুনিক ও সাশ্রয়ী কৃষি কৌশল। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে ভেজা জমিতে না চাষ দিয়েই সরাসরি পানের লতা রোপণ করে পান চাষ করা সম্ভব। অন্যদিকে ধান, গম বা মূলা চাষের জন্য জমি ভালোভাবে কয়েকবার চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরে করতে হয়। পান চাষে কেবল নির্দিষ্ট মাটি প্রস্তুত করে সেচ ও বাঁশের বরজ তৈরি করলেই লতা থেকে নতুন গাছ গজায়। এতে কৃষকের জমি চাষের অতিরিক্ত খরচ ও শ্রম উভয়ই দারুণভাবে সাশ্রয় হয়ে থাকে

প্রশ্ন 2

খামারে পোনা মজুদ পরবর্তী ব্যবস্থাপনার অংশ কোনটি?

  • A

    পাড় মেরামত

  • B

    চুন

  • C

    পোনা শোধন

  • D

    খাদ্য প্রয়োগ

    ✓ সঠিক উত্তর

পুকুর প্রস্তুত করার পর স্বাস্থ্যকর পোনা অবমুক্ত করা মাছ চাষের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল ধাপ। পোনা পুকুরে ছাড়ার পর থেকে শুরু হয় 'পোনা মজুদ পরবর্তী ব্যবস্থাপনা'র কাজ, যার মূল লক্ষ্য মাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত করা। পাড় মেরামত, চুন দেওয়া এবং পোনা শোধন হলো পোনা ছাড়ার পূর্ববর্তী বা মজুদপূর্ব প্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত কাজ। কিন্তু পোনা ছাড়ার পর তাদের দৈহিক সুস্বাস্থ্য ও দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন সুষম 'খাদ্য প্রয়োগ' করা হলো মজুদ পরবর্তী প্রধান কাজ। নিয়মিত সঠিক মাত্রায় খাবার দিলে পোনার মৃত্যুহার কমে এবং অল্প সময়ে বিক্রয়যোগ্য আকার লাভ করে।

প্রশ্ন 3

গোলাপের বংশ বিস্তার কোন পদ্ধতিতে হয়?

  • A

    চারা কলম

  • B

    শাখা কলম

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    গুঁড়ি কলম

  • D

    মুকুট কলম

গোলাপ গাছের বংশবৃদ্ধি ও বাণিজ্যিক প্রজননের জন্য সাধারণত অঙ্গজ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। অঙ্গজ পদ্ধতির মধ্যে শাখা কলম বা 'কাটিং' হলো গোলাপের জন্য সবচেয়ে সহজ, জনপ্রিয় ও সফল পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রাপ্তবয়স্ক সুগঠিত গোলাপ গাছ থেকে শক্ত ডাল বা শাখা কেটে মাটিতে রোপণ করা হয়। কয়েক দিনের মধ্যে কেটে নেওয়া শাখা থেকে নতুন মূল বের হয় এবং একটি নতুন স্বাধীন গাছের জন্ম হয়। এতে মাতৃগাছের সমস্ত গুণাবলী অবিকল বজায় থাকে এবং খুব দ্রুত সময়ে গাছে কাঙ্ক্ষিত ফুল ফুটতে শুরু করে।

প্রশ্ন 4

কোন এলাকায় ভূমি ক্ষয় বেশি হয়?

  • A

    পার্বত্য এলাকায়

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    সমতল এলাকায়

  • C

    নিচু এলাকায়

  • D

    পাহাড়ী এলাকায়

ভূমির ঢাল যত বেশি হয়, বৃষ্টির পানির প্রবাহের বেগ তত দ্রুত ও তীব্র আকারের হয়। বাংলাদেশের পাহাড়ি ও পার্বত্য এলাকাগুলোতে তীব্র ভূমির ঢাল থাকায় সেখানে বৃষ্টিপাতের সময় মাটির ক্ষয় সবচেয়ে বেশি ঘটে। পলি ও মাটি ধুয়ে নিচে নেমে আসার কারণে পাহাড়ি অঞ্চলে আস্তরণ ও গালি ভূমিক্ষয় মারাত্মক আকার ধারণ করে। গাছপালা নিধন এবং পাহাড় কাটার ফলে এই ভূমিক্ষয় আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই ভূ-প্রাকৃতিক গঠনের দিক দিয়ে পাহাড়ী ও পার্বত্য এলাকায় ভূমিক্ষয়ের হার অন্যান্য সমতল এলাকার চেয়ে বেশি।

প্রশ্ন 5

পশু খামার পরিচালনায় একজন সফল খামারির কী ধরনের গুণাবলি থাকা প্রয়োজন?

i. খাদ্য ব্যবস্থাপনা

ii. রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা

iii. পশুর জাত ও বাসস্থান ব্যবস্থাপনা

নিচের কোনটি সঠিক?

  • A

    i ও ii

  • B

    i ও iii

  • C

    ii ও iii

  • D

    i, ii ও iii

    ✓ সঠিক উত্তর

একটি বাণিজ্যিক পশু খামার লাভজনকভাবে চালাতে খামারির বহুমুখী দক্ষতা ও জ্ঞান থাকা দরকার। সময়মতো সুষম খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য উন্নত খাদ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। পশুর বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি থেকে বাঁচাতে টিকা ও রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এছাড়া উন্নত জাত নির্বাচন এবং সুবিধাজনক ও স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থান নির্মাণ খামার পরিচালনার মূল ভিত্তি। এসব গুণাবলি ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়েই একজন খামারি তার ব্যবসায়ে সফল হতে পারেন।

প্রশ্ন 6

উক্ত খামারে গাভীর সংখ্যা কয়টি?

  • A

    ২টি

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    ৩টি

  • C

    ৪টি

  • D

    ৬টি

বাণিজ্যিক খামার শুরুর প্রাথমিক ধাপে ঋণের টাকায় সাধারণত স্বল্প সংখ্যক উন্নত জাতের গাভী কেনা হয়। কৃষি ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের সাহায্যে কৃষক পর্যায়ে সাধারণত ২টি গাভী কিনে ক্ষুদ্র খামার শুরু হয়। তবে নির্দিষ্ট পাঠ্যবইয়ের উদাহরণের উদ্দীপক বিচারে গাভীর সুনির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করা থাকে। ২ থেকে ৩টি গাভী নিয়ে খামার শুরু করলে খামারি সহজে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যা করতে পারেন। গাভীর দুধ বিক্রি করে ঋণের কিস্তি শোধ করাও এভাবে নতুন খামারির জন্য সুবিধাজনক হয়।

প্রশ্ন 7

মাটিতে অম্লাত্মক-ক্ষারত্বকের মাত্রা কত হলে গম ফসলের উৎপাদন ভালো হয়?

  • A

    ৪.৯ থেকে ৬.১

  • B

    ৫.৫ থেকে ৬.৫

  • C

    ৬.০ থেকে ৭.০

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    ৭.০ থেকে ৮.৫

গম চাষের জন্য মাটির অম্লতা ও ক্ষারত্বের মাত্রা অর্থাৎ pH সঠিক থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। সাধারণত নিরপেক্ষ বা মৃদু অম্লীয় মাটিতে গম গাছ মাটি থেকে সহজে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, মাটির pH মাত্রা ৬.০ থেকে ৭.০ এর মধ্যে থাকলে গম গাছের শিকড়ের বৃদ্ধি চমৎকার হয়। এই pH সীমার নিচে বা উপরে গেলে মাটিতে থাকা পুষ্টি উপাদান গাছের জন্য গ্রহণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সঠিক মান বজায় থাকলে কম সারেও গমের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে এবং বাম্পার ফলন পাওয়া সম্ভব হয়।

প্রশ্ন 8

কোন গাছের বীজ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বপন করতে হবে?

  • A

    নারিকেল

  • B

    মেহগনি

  • C

    গর্জন

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    কড়াই

কিছু প্রজাতির বৃক্ষের বীজ গাছ থেকে ঝরে পড়ার পর খুব দ্রুত তাদের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হারায়। গর্জন হলো এমনই একটি পাহাড়ি বৃক্ষ যার বীজের জীবনকাল বা সুপ্তাবস্থা অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী। গর্জন গাছের ফল বা বীজ পরিপক্ক হয়ে মাটিতে পড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা মাটিতে বপন করতে হয়। একদিনের বেশি সময় পার হয়ে গেলে গর্জনের বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। কড়াই, মেহগনি বা নারিকেলের বীজ অনেক দিন পর্যন্ত শুকিয়ে সংরক্ষণ করে রেখে পরে রোপা যায়। তাই সংবেদনশীল বীজের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী গর্জন গাছের বীজ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বপন করা আবশ্যক।

প্রশ্ন 9

উদ্দীপক উল্লিখিত বাছুরের জন্য কত বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন?

  • A

    ১৫

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    ২৫

  • C

    ৩৫

  • D

    ৬০

গবাদিপশুর খামারে বাছুরের সুষ্ঠু শারীরিক বৃদ্ধি ও সুস্থতার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ জায়গার বিধান রাখা আবশ্যক। পশুপালন বিজ্ঞান ও কৃষি বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি বাড়ন্ত বাছুরের জন্য গড়ে ১৫ থেকে ২০ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন হয়। উদ্দীপকের নতুন ঘরের ক্ষেত্রে বাছুরপ্রতি সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় আদর্শ জায়গার পরিমাণ হলো ১৫ বর্গফুট। সঠিক মাত্রার জায়গায় বাছুর রাখলে তাদের রোগব্যাধির ঝুঁকি কমে এবং সুষম বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়। তাই একটি নতুন বাছুরের ঘরের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় মেঝের আয়তন ১৫ বর্গফুট।

প্রশ্ন 10

চটের বস্তায় কোনটি পরিবহন করা হয়?

  • A

    মাছ

  • B

    ডিম

  • C

    শস্য

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    মাছের পোনা

কৃষি পণ্য পরিবহনে চটের বস্তা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত একটি ঐতিহ্যবাহী উপাদান। শস্যজাতীয় ফসল যেমন— ধান, গম, ডাল ইত্যাদি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহনে চটের বস্তা সবচেয়ে বেশি উপযোগী। এটি ব্যবহার করলে শস্যের ভেতর বাতাস চলাচলের সুযোগ থাকে, ফলে ফসল সহজে নষ্ট বা স্যাঁতসেঁতে হয় না। অন্যদিকে মাছ বা পোনা পরিবহনে পানিভর্তি বিশেষ পাত্র কিংবা পলিথিন ব্যাক এবং ডিম পরিবহনে কাগজের ট্রে দরকার হয়। চটের ব্যাগ টেকসই ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় কৃষি শস্য বহনে এর বিকল্প নেই। তাই সার্বিক বিবেচনায় শস্য পরিবহনের জন্যই চটের বস্তা ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন 11

সরকারি কৃষি সেবা সংস্থাগুলো সরবরাহ করে থাকে-

i. বীজ

ii. সার

iii. ঔষধ

নিচের কোনটি সঠিক?

  • A

    i ও ii

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    i ও iii

  • C

    ii ও iii

  • D

    i, ii ও iii

কৃষির সার্বিক মানোন্নয়ন ও উৎপাদন বাড়াতে সরকারি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ নানা উপকরণ সরবরাহ করে। কৃষকদের কাছে উন্নত মানসম্পন্ন রোগমুক্ত বীজ এবং সঠিক মূল্যে সার সরবরাহ করা এই সংস্থাগুলোর মূল দায়িত্ব। তবে সাধারণ ফসল বা শাকসবজি উৎপাদনের ক্ষেত্রে এসব সংস্থা সরাসরি কোনো মানব ওষুধ সরবরাহ করে না। ফসল সুরক্ষায় ব্যবহৃত কীটনাশক বা উদ্ভিদ ওষুধ সরবরাহ করলেও সরাসরি 'ঔষধ' তাদের প্রাথমিক উপকরণ নয়। প্রথম দুটি আবশ্যকীয় উপকরণ সরকারি সেবার আওতায় কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

প্রশ্ন 12

গবাদিপশুর দানা জাতীয় খাদ্যে উদ্ভিদ উৎস কোনটি?

  • A

    ফিসমিল

  • B

    ফেদার মিল

  • C

    সরগাম

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    ব্লাডমিল

গবাদিপশুর জন্য খাদ্য তৈরিতে উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ—এই দুই ধরনের উপাদান ব্যবহৃত হয়। সরগাম হলো এক ধরণের দানাশস্যজাতীয় উদ্ভিদ যা গবাদিপশুর পুষ্টিকর শক্তির অন্যতম উৎস। অন্যদিকে ফেদার মিল (পালকের গুঁড়া), ফিসমিল (মাছের গুঁড়া) ও ব্লাডমিল (রক্তের গুঁড়া) প্রাণিজ উপাদান। সরগাম দানায় প্রচুর শর্করা থাকে যা গবাদিপশুর দৈনন্দিন শক্তির সার্বিক যোগান নিশ্চিত করে। খামারে দানাদার খাদ্য তৈরিতে উদ্ভিজ্জ উপাদান হিসেবে সরগাম ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন 13

কোন ফসল পাতার আকার হ্রাস করে খরা পরিহার করতে পারে?

  • A

    তুলা

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    ফেলন

  • C

    সয়াবিন

  • D

    চিনাবাদাম

শুষ্ক ও কম বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে টিকে থাকার জন্য কিছু ফসল শরীরে বিশেষ শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটায়। খরা বা পানির তীব্র সংকট দেখা দিলে প্রশ্বেদনের হার কমাতে গাছ পাতার আয়তন বা আকার ছোট করে নেয়। 'তুলা' এমন একটি সহনশীল ফসল যা পাতার আকার কমিয়ে বা পাতা ঝরিয়ে প্রস্বেদন হ্রাস করার মাধ্যমে খরা পরিহার করে। এই কৌশল ব্যবহারের ফলে গাছের টিস্যুতে পানি সঞ্চিত থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমেও গাছ স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকে। অন্য ফসলগুলো সাধারণত মূলের গভীরতা বাড়িয়ে বা অন্য উপায়ে পানির অভাব পূরণের চেষ্টা চালিয়ে যায়।

প্রশ্ন 14

মধ্যম লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসল হলো-

i. আমড়া

ii. গাজর

iii. পেয়ারা

নিচের কোনটি সঠিক?

  • A

    i ও ii

  • B

    i ও iii

  • C

    ii ও iii

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    i, ii ও iii

উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির লবণাক্ততা সহ্য করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ফসলকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। গাজর ও পেয়ারা উভয় ফসলই মাঝারি মাত্রায় পরিমিত লবণাক্ত মাটি সহ্য করে স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখতে পারে। অন্যদিকে আমড়া লবণাক্ততার প্রতি বেশ সংবেদনশীল হওয়ায় উপকূলীয় অতিরিক্ত লবণযুক্ত মাটিতে এর ফলন ভালো হয় না। মাঝারি মাত্রার লবণাক্ত মাটিতে গাজর ও পেয়ারার পুষ্টি গ্রহণ ও ফলন দেওয়ার ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ থাকে

প্রশ্ন 15

কেনাফ-

i. পানি সহ্য করতে পারে

ii. দ্রুত বর্ধনশীল

iii. আঁশ উৎপাদন করতে পারে

নিচের কোনটি সঠিক?

  • A

    i ও ii

  • B

    i ও iii

  • C

    ii ও iii

  • D

    i, ii ও iii

    ✓ সঠিক উত্তর

কেনাফ হলো পাট জাতীয় এক প্রকার গুরুত্বপূর্ণ আঁশ উৎপাদনকারী উদ্ভিদ যা প্রতিকূল পরিবেশেও সহজে জন্মাতে পারে। কেনাফ অতি দ্রুত বর্ধনশীল একটি গাছ, যা খুব কম সময়ের মধ্যে পরিপক্ক হয়ে কাটার উপযোগী হয়ে ওঠে। এটি কিছুটা জলাবদ্ধতা ও অতিরিক্ত পানি সহ্য করার চমৎকার প্রাকৃতিক ক্ষমতা ধারণ করে যা সাধারণ পাটের চেয়ে বেশি। কেনাফের ছাল থেকে প্রাপ্ত আঁশ অত্যন্ত শক্ত ও টেকসই হওয়ায় এটি দড়ি, চট ও বস্তা তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ফলে পাটের ভালো বিকল্প হিসেবে কেনাফের এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই কৃষিশিক্ষায় স্বীকৃত ও সত্য।

2019 সালের আরও 35+ বোর্ড প্রশ্ন আছে

ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো
← কৃষিশিক্ষা-এর সব অধ্যায় দেখো