মোট 270+ বোর্ড প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
"তারা (নারীগণ) তোমাদের ভূষণ আর তোমরা তাদের ভূষণ"-আয়াতের প্রতিপাদ্য কোনটি?
“তারা (নারীগণ) তোমাদের ভূষণ আর তোমরাও তাদের ভূষণ” — এই আয়াতটি এসেছে সূরা আল-বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতে। এখানে "ভূষণ" বা "পোশাক" শব্দের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে নারী-পুরুষ পরস্পরের জন্য নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সৌন্দর্যের উৎস। এই উপমার মাধ্যমে আল্লাহ তা’আলা স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, একে অপরের প্রতি নির্ভরতা ও পারস্পরিক দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব বোঝাতে চেয়েছেন। প্রতিপাদ্য বিষয়টি হলো: নারী-পুরুষ পরস্পরের সহযোগী। অর্থাৎ সংসারজীবনে তারা একে অপরের সাথী, সহায়ক ও রক্ষাকবচ, যা ইসলামের পরিবারব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ
অর্থ : “তারা (নারীগণ) তোমাদের ভূষণ আর তোমরা তাদের ভূষণ ।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৭)
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ইসলাম নারীদের অধিকার ও মর্যাদা সংরক্ষণ করেছে । নারীগণ স্বাধীনভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারবে । পিতা-মাতার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার হিসেবেও তারা সম্পদ লাভ করবে। তাদের সম্পত্তিতে শুধু তাদেরই কর্তৃত্ব থাকবে । তারা তাদের ধন-সম্পদ স্বাধীনভাবে ব্যয় করতে পারবে । আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “পুরুষ যা অর্জন করে তা তার প্রাপ্য অংশ, এবং নারী যা অর্জন করে তা তার প্রাপ্য অংশ ।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত ৩২)
সুজলপুর বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ তাঁদের একদিনের বেতনের টাকা ফেনীর বন্যাকবলিত মানুষের সাহায্যের জন্য দান করেন। জনাব সালেহীন একই বিদ্যালয়ের আইসিটি বিষয়ের শিক্ষক। তাঁর পুত্র শাহিন ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য বিদ্যালয় ল্যাব থেকে একটি ল্যাপটপ বাসায় নিয়ে আসার জন্য বাবাকে অনুরোধ জানায়। জনাব সালেহীন পুত্রকে না করে দেন।
জনাব সালেহীনের ভূমিকায়-
i. তাঁর ইমান মজবুত হবে
ii. সমাজে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে
iii. আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তর: ঘ) i, ii ও iii
ব্যাখ্যা:
জনাব সালেহীন তাঁর দায়িত্ব ও Amanah (আমানত) রক্ষা করেছেন। বিদ্যালয়ের সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার না করে তিনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা ইসলামী নৈতিকতা অনুযায়ী সঠিক ও প্রশংসনীয়।
এ কারণে—
*i. তাঁর ইমান মজবুত হবে** — কারণ তিনি হালাল-হারামের সীমা মানছেন।
*ii. সমাজে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে** — সততা সমাজে সম্মান ও বিশ্বাস তৈরি করে।
*iii. আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হবে** — যারা সততা ও দায়িত্ব পালন করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) i, ii ও iii
আল্লাহ কোন গুনাহ ক্ষমা করবেন না?
আল্লাহ তায়ালা যে গুনাহটি ক্ষমা করবেন না, তা হলো শিরক। শিরক মানে আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করা—অর্থাৎ তাঁর গুণাবলি, অধিকার বা উপাসনায় অন্য কাউকে শরিক করা। কুরআনে আল্লাহ তায়ালা স্পষ্টভাবে বলেছেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে অংশীদার স্থাপনকে ক্ষমা করেন না, তবে যাকে ইচ্ছা তিনি অন্যসব গুনাহ ক্ষমা করে দেন" (সূরা আন-নিসা, আয়াত ৪৮)। শিরক এমন একটি ভয়াবহ পাপ যা মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয় এবং আখিরাতে অনন্ত জাহান্নামের কারণ হতে পারে।
আল-ফুরকান শব্দের অর্থ কী?
আল-ফুরকান অর্থ সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী। মানবজাতির হেদায়েতের মহাগ্রন্থ আল-কুরআনকে আল-ফুরকান নামেও অভিহিত করা হয়। যেহেতু কুরআন মজিদ কাফির-মুশরিকদের সকল ভ্রান্ত ও মিথ্যা সাবি খণ্ডনকারী, হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী, সত্যপথের দিশারি, সত্যের ধারক-বাহক এজন্য আল-কুরআনকে আল-ফুরকানও বলা হয়।আল-কুরআনের বেশকিছু নাম রয়েছে । এগুলোর মধ্যে প্রসিদ্ধ নাম-
১. আল-কিতাব গ্রন্থ।
২. আল-ফুরকান (সত্য-মিথ্যার) পার্থক্যকারী ।
৩. আল-হিকমা বা জ্ঞান, প্রজ্ঞা ।
৪. আল-বুরহান ও সুস্পষ্ট প্রমাণ ।
৫. আল-হক - সত্য ।
৬. আন-নুর - জ্যোতি ।
৭. আল-হুদা - পথনির্দেশ ।
৮. আয-যিকর - উপদেশ ।
৯. আশ-শিফা - নিরাময় ।
১০. আল-মজিদ সম্মানিত, মহিমান্বিত ।
১১. আল-মাওয়িযা - সদুপদেশ।
১২. আর-রাহমাহ , অনুগ্রহ, দয়া ইত্যাদি ।
এবারের বন্যার সময় লক্ষীপুরের মানুষের মধ্যে খাদ্যসংকট দেখা দেয়। দিশারী নামক একটি সংগঠন পুরো বন্যার সময় লক্ষীপুরের দুর্গত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করে। দিশারীর কাজে কোন খলিফার আদর্শ অনুসৃত হয়?
লক্ষীপুরে বন্যার সময় “দিশারী” নামক সংগঠনের পক্ষ থেকে যে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়—বিশেষ করে খাবার বিতরণ ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো—তা ইসলামের মানবসেবার চেতনার একটি বাস্তব প্রতিফলন। এই কাজ হযরত উসমান (রাঃ)-এর আদর্শকে স্মরণ করিয়ে দেয়। হযরত উসমান (রাঃ) ছিলেন খোলাফায়ে রাশেদার একজন, যিনি দানশীলতা, মানবসেবা ও দুর্দিনে উম্মতের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। বিশেষত মদিনায় দুর্ভিক্ষের সময় তিনি নিজের খরচে একটি কূপ কিনে তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। দিশারীর এই কার্যক্রম সেই আদর্শেরই অনুসরণ, যেখানে মানবতার কল্যাণকে ধর্মীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
জনাব সেলিম মিরগঞ্জ বাজারের সবচেয়ে ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। এবারের সিলেটের বন্যার সময় বাজারের প্রত্যেক ব্যবসায়ী, একলক্ষ টাকা করে দান করেন। কিন্তু সেলিম দান করেন ৫০০ টাকা। বাজারের অপর ব্যবসায়ী শাকিল একজন বাগানপ্রেমী। তাঁর একটি কাঠালের বাগান আছে। বাগানের কিছু কাঠাল মানুষজন নিয়ে যায়, কিন্তু শাকিল তাতে মন খারাপ করেন না।
শাকিলের মানসিকতায়-
i. মানুষ ও জীবের কল্যাণ সাধিত হবে
ii. তিনি সদাকার সমান সওয়াব পাবেন
iii. শহিদগণের সাথে তাঁর হাশর হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তর: খ) i ও ii
ব্যাখ্যা (সংক্ষিপ্ত):
শাকিল মানুষের কল্যাণে স্বেচ্ছায় সম্পদ বিলাতে কষ্ট পাননি, এতে সমাজে উপকার হয় (i) এবং ইচ্ছাকৃতভাবে দান করলে সদাকার সওয়াব পাওয়া যায় (ii)। তবে শহিদের মর্যাদা পেতে আরও বড় ত্যাগ প্রয়োজন হয়।
গণিতশাস্ত্রের জনক বলা হয় কাকে?
উত্তর: গ. মুসা আল-খাওয়ারিজমি
ব্যাখ্যা:
মুসা আল-খাওয়ারিজমি (৮০০–৮৫০ খ্রিস্টাব্দ) ইসলামি সোনালী যুগের বিখ্যাত গণিতবিদ এবং গণিতশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত। তিনি আলগোরিদমের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার রচনা "কিতাব আল-জবর ওয়াল-মুকাবলা" গণিতশাস্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
রাশেদ একজন সৌখিন লোক। তিনি দামি পোশাক ও সুগন্ধি ব্যবহার করেন। এবছর তিনি সৌদি আরব গিয়ে একটি বিশেষ ইবাদত পালন করেন। এরপর থেকে রাশেদ সাধারণ কাপড় ব্যবহার শুরু করেন। এখন তিনি অনাড়ম্বর জীবনযাপন করেন। রাশেদের জীবনপদ্ধতি পরিবর্তনে কোন ইবাদতের প্রভাব কাজ করেছে?
সঠিক উত্তর: ঘ. হজ
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
হজ ইবাদতের মাধ্যমে একজন মুসলিম বিনয়, একতা ও দুনিয়াবিমুখতার শিক্ষা গ্রহণ করে। ইহরাম অবস্থায় সব বিলাসিতা ত্যাগ করে সাধারণ পোশাক পরিধান করা হয়, যা রাশেদের অনাড়ম্বর জীবনের প্রতিফলন।
রিসালাত ও নবুয়ত মানুষের কল্যাণ সাধন করে-
i. স্রষ্টার সত্তা ও গুণাবলির পরিচয় জানা ও মানায়
ii. নবি ও রাসূলগণের অনুপম আদর্শ অনুসরণে
iii. বিশ্বব্যাপি একটি অকল্যাণধর্মি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায়
নিচের কোনটি সঠিক?
রিসালাত ও নবুয়ত হল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত বার্তা ও বার্তাবাহক (নবী ও রাসূল) যারা মানবজাতিকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য প্রেরিত হন। এগুলোর মাধ্যমে যে কল্যাণ সাধিত হয়, তা নিম্নরূপ:
স্রষ্টার সত্তা ও গুণাবলির পরিচয় জানা ও মানা:
নবী-রাসূলগণ আল্লাহর পরিচয়, গুণাবলি ও তাঁর ইবাদতের সঠিক পদ্ধতি মানুষের কাছে তুলে ধরেন।
নবি ও রাসূলগণের অনুপম আদর্শ অনুসরণ:
তাঁদের চরিত্র, আচরণ ও জীবনধারা অনুসরণ করলে ব্যক্তি ও সমাজে নৈতিকতা, সততা ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটে।
হাসনাবাদ গ্রামে সমর নামে একজন লোক সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, 'আমার নিকট স্রষ্টার পক্ষ থেকে অহি আসে'। কিছু মানুষ তার কথায় বিশ্বাস করে তার অনুসারী হয়ে যায়। একই গ্রামের হাসমত একজন ধনী মানুষ। তার জনৈক বন্ধু তাকে বছর শেষে মোট সম্পদ হিসেব করে যাকাত দেয়ার পরামর্শ দেন। হাসমত তাকে বলেন, এটি একধরনের জরিমানা। আমি যাকাত দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করিনা।
সমর ও তার অনুসারীদর কর্মকাণ্ডে কী লঙ্ঘিত হয়?
খতম' শব্দের অর্থ শেষ বা সমাপ্তি, আর 'নবুয়ত' হলো নবীগণের দায়িত্ব। সুতরাং 'খতমে নবুয়ত' অর্থ নবীগণের সিলসিলা বা নবুয়তের সমাপ্তি। ইসলামি আকাইদ অনুযায়ী, মানবজাতির হেদায়েতের জন্য নবী-রাসুল প্রেরণের যে ধারা হযরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, তা আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছে এবং শেষ হয়েছে। তাঁর পরে আর কোনো নবী বা রাসুল দুনিয়াতে আসবেন না এবং কোনো অহি-ও নাজিল হবে না।
কোনটি হত্যার চেয়েও জঘন্য?
ফিতনা ও ফাসাদ উভয়টি আরবি শব্দ । ফিতনা (ii) অর্থ অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা, কলহ ইত্যাদি , বস্তুত ফিতনা-ফাসাদ অত্যন্ত মারাত্মক অপরাধ। এর দ্বারা সমাজে সকল অন্যায়-অত্যাচারের দরজা খুলে যায় । অরাজক পরিস্থিতিতে অসৎ মানুষেরা সব ধরনের পাপ কাজের সুযোগ পায় । এজন্যই আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَالْفِتْنَةُ أَشَدُّ مِنَ الْقَتْلِ
অর্থ : “ফিতনা হত্যার চেয়েও জঘন্য ।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৯১)
আল্লাহর নিকট সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি কে?
তাকওয়া একটি মহৎ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য । মানবজীবনে তাকওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম । তাকওয়া মানুষকে ইহকালীন ও পরকালীন উভয় জীবনকেই সম্মান-মর্যাদা ও সফলতা দান করে । ইসলামি জীবন দর্শনে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান ব্যক্তি হলেন মুত্তাকিগণ । আল্লাহ তায়ালা বলেন,
إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللهِ أَتْقَكُمْ
অর্থ : “নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান । ” (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত ১৩)
কুরআন অবতরণের পটভূমিকে কী বলে?
‘শান’ শব্দের অর্থ অবস্থা, মর্যাদা, কারণ, ঘটনা, পটভূমি । আর নুযুল অর্থ অবতরণ । অতএব, শানে নুযুল অর্থ অবতরণের কারণ বা পটভূমি । ইসলামি পরিভাষায়, আল-কুরআনের সূরা বা আয়াত নাজিলের কারণ বা পটভূমিকে ‘শানে নুযুল’ বলা হয় । একে ‘সববে নুযুল’ও বলা হয় ।
'আদ-দুহা' শব্দের অর্থ কী?
'আদ-দুহা' (الضحى) শব্দের অর্থ হলো 'পূর্বাহ্নের আলো' বা 'প্রভাতকাল'।
### ব্যাখ্যা:
এই শব্দটি কুরআনের ৯৩ নম্বর সূরার নাম—**সূরা আদ-দুহা**—যা মহান আল্লাহ প্রভাত বা সকাল বেলার আলো দিয়ে শপথ করে সূচনা করেন। "দুহা" সময়টি হলো সূর্য ওঠার কিছু সময় পরে, যেটিকে আরবিতে দিনের উজ্জ্বল ও শান্ত সময় ধরা হয়। এই সময়কে কাজে মনোযোগী হওয়ার ও আল্লাহর কৃপা স্মরণ করার সময় হিসেবে ধরা হয়।
আর কিছু জানার ইচ্ছা আছে কি?
কোন সুরায় ইয়াতিমের প্রতি কঠোর হতে নিষেধ করা হয়েছে?
সুরা আদ-দুহা (সুরা ৯৩) তে আল্লাহ তায়ালা নবী মুহাম্মাদ (সা.)-কে সান্ত্বনা দিয়েছেন এবং তাঁর অতীত জীবনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, "তিনি আপনাকে ইয়াতিম অবস্থায় পেয়েছেন এবং আশ্রয় দিয়েছেন" (আয়াত ৬)। এরপর আয়াত ৯-এ বলা হয়েছে, "অতএব ইয়াতিমের প্রতি তুমি কঠোর হবে না।"
এই আয়াতের মাধ্যমে ইয়াতিমদের প্রতি সদয় হওয়া এবং তাদের অধিকার রক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
2025 সালের আরও 255+ বোর্ড প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো