মোট 600+ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
প্রয়োজন মাফিক অর্থ ব্যয় করাকে কী বলে?
প্রয়োজনের মাত্রা অনুযায়ী অর্থ ব্যয় করাকে মিতব্যয়িতা বলা হয়। এটি অর্থ ব্যবস্থাপনায় সঠিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহারকে নির্দেশ করে, যা অতিরিক্ত খরচ থেকে বিরত থাকতে শেখায়। ইসলামি নীতিমালা অনুযায়ী মিতব্যয়িতা একটি প্রশংসনীয় গুণ, কারণ এতে ধন সঠিকভাবে ব্যবহার হয় এবং অবান্তর অপচয় রোধ হয়। তাই প্রয়োজন মাফিক অর্থ ব্যয় করাকে মিতব্যয়িতা বলা হয়।
তাকওয়া শব্দের ব্যবহারিক অর্থ কী?
তাকওয়া শব্দের ব্যবহারিক অর্থ হলো:
আল্লাহভীতি, পরহেজগারি, আত্মশুদ্ধি, ধার্মিকতা, দ্বীনদারি, আল্লাহ ও সত্যের প্রতি সচেতনতা, সতর্কতা।
মিজান খোদাভীরু হতে চায়। সেজন্য সর্বাগ্রে তাকে চর্চা করতে হবে—
যে ব্যক্তি সত্য কথা বলে তাকে কী বলে?
যে ব্যক্তি সর্বদা সত্য কথা বলে, তাকে ‘সাদিক’ বলা হয়। ‘সাদিক’ শব্দের অর্থ হলো সত্যবাদী বা সত্যনিষ্ঠ ব্যক্তি। একজন সাদিক সব পরিস্থিতিতে সত্য কথা বলে এবং মিথ্যার আশ্রয় নেয় না। ইসলামে সত্যবাদিতাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চারিত্রিক গুণ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা একজন মানুষকে বিশ্বস্ত ও সম্মানিত করে তোলে।
মনু মিয়া একজন বিত্তশালী ব্যক্তি। আত্মীয়-পরিজন, নিঃস্ব, দরিদ্র, এতিম সবাইকে তিনি উদার হস্তে দান করেন।
প্রতিদিন সকালে মনু মিয়ার জন্য দোয়া করেন –
মনু মিয়া সবাইকে উদার হস্তে দান করার কারণে তার জন্য প্রতিদিন সকালে দোয়া করেন ফেরেশতাগণ। ইসলামি শিক্ষায় বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি দয়ার সঙ্গে দান-সচ্ছলতা করে, আল্লাহ তার জন্য ফেরেশতাদের মাধ্যমে দোয়া বর্ষণ করেন। ফলে মনু মিয়ার সদয় কাজের জন্য ফেরেশতারা তার মঙ্গল কামনা করে।
'ম' অপরের অনুপস্থিতিতে তাদের দোষ-ত্রুটির কথা বলে বেড়ায়। আখলাকে জামিমার কোন বিষয়টি তার চরিত্রে ফুটে উঠেছে?
‘ম’ অপরের অনুপস্থিতিতে তাদের দোষ-ত্রুটির কথা বলে বেড়ানোর মাধ্যমে গিবতির কাজ করেছে, যা ইসলামে নিষিদ্ধ এবং চরিত্রের একটি নিন্দনীয় দিক। গিবতি হলো এমন কাজ যা অন্যের প্রতি অবজ্ঞাসূচক এবং সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করে। জামিমার চরিত্রের সেই দিকটি যা ‘ম’র এই আচরণে প্রতিফলিত হয়েছে তা হলো গিবত, যা একজন মুসলমানের জন্য অত্যন্ত বর্জনীয়।
নাবিল কথায় কথায় অন্যকে গালাগালি করে। তার মধ্যে কীসের অভাব রয়েছে?
নাবিল কথায় কথায় অন্যকে গালাগালি করার মাধ্যমে শালীনতার অভাব প্রদর্শন করেছে। শালীনতা মানে হলো ভদ্রতা ও মার্জিত ব্যবহার, যা মানুষকে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও সম্মানজনক করে তোলে। গালাগালি করা অসভ্যতা ও শালীনতার অভাবের নিদর্শন, যা মানুষের চরিত্রকে নষ্ট করে এবং সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। তাই নাবিলের এই আচরণ তার শালীনতার অভাবকে নির্দেশ করে।
হাদিস অনুসারে যে ওয়াদা পালন করে না, তার- নেই।
“মায়ের পায়ের তলে সন্তানের বেহেশত।”— এটি কার বাণী?
নারীকে সন্তানের কাছে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেছে । রাসুলুল্লাহ (স.) ঘোষণা করেছেন,
الْجَنَّةُ تَحْتَ أَقْدَامِ الْأُمَّهَاتِ
অর্থ : “মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত ।” (মুসনাদে শিহাব আল-কাযায়ি)
কোনটি মানুষকে ইহকালীন ও পরকালীন জীবনে সম্মান-মর্যাদা ও সফলতা দান করে?
‘তাকওয়া’ মানুষকে ইহকালীন ও পরকালীন জীবনে সম্মান, মর্যাদা ও সফলতা দান করে। কারণ তাকওয়া হলো আল্লাহর ভীতি ও সম্মান নিয়ে তার আদেশ পালন ও নিষেধ ত্যাগ করা, যা ব্যক্তিকে নৈতিক ও আত্মিক উন্নতির পথে নিয়ে যায়। ফলে ব্যক্তি জীবনে সাফল্য অর্জন করে এবং পরকালে আল্লাহর কাছে উত্তম অবস্থান লাভ করে।
কোনটি মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে?
সঠিক উত্তর: ঘ) তাকওয়া
ব্যাখ্যা:
তাকওয়া হলো আল্লাহভীতি ও নৈতিক সংযম। এটি মানুষকে পাপ থেকে বিরত রাখে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রেরণা দেয়। ফলে এটি মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে।
তাকওয়া
মানুষের
অন্তরকে
পরিশুদ্ধ
করে
এবং
সচ্চরিত্রবান
হিসেবে
গড়ে
তোলে
।
সকল
সৎ
ও
সুন্দর
গুণ
অনুশীলনে
অনুপ্রাণিত
করে
।
ফলে
মুত্তাকিগণ
সৎ
ও
সুন্দর
গুণ
অনুশীলনে
অনুপ্রাণিত
হন
।
অন্যদিকে
যার
মধ্যে
তাকওয়া
নেই
,সে
নিষ্ঠাবান
ও
সৎকর্মশীল
হতে
পারে
না
।
সে
নানা
অন্যায়
অত্যাচারে
লিপ্ত
থাকে
।
নৈতিক
ও
মানবিক
আদর্শের
পরোয়া
করে
না
।
ফলে
তার
দ্বারা
সমাজে
অনৈতিকতা
ও
অপরাধের
প্রসার
ঘটে
।
বস্তুত
তাকওয়া
হলো
মহৎ
চারিত্রিক
গুণ
।
নৈতিক
চরিত্র
গঠনে
এর
কোনো
বিকল্প
নেই
।
সুমন ট্রেনের সিটে বসে লক্ষ করল একজন মহিলা দাঁড়িয়ে আছেন। তাই সে সিট ছেড়ে দিয়ে মহিলাটিকে বসতে দিল।
সুমনের আচরণে আখলাকে হামিদার কোন গুণটি প্রকাশ পেয়েছে?
সুমনের আচরণে আখলাক-এ হামিদার নারীর প্রতি সম্মানবোধ গুণটি প্রকাশ পেয়েছে। ইসলামে নারীর প্রতি সম্মান ও মর্যাদা প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। মহানবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “নারীদের প্রতি ভালোমন্দ আচরণ করাই ঈমানের অর্ধাংশ।” (সহীহ মুসলিম)। সুতরাং, সুমনের এই নম্র ও সম্মানজনক কাজ ইসলামী নৈতিকতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
কুরআন মজিদে 'নারীগণ তোমাদের ভূষণ আর তোমরা তাদের ভূষণ' এর দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
যারা দেশকে ভালোবাসে না তারা—
i. দেশদ্রোহী
ii. অকৃতজ্ঞ
iii. অধার্মিক
নিচের কোনটি সঠিক?
পাড়া-প্রতিবেশীসহ অন্য সবার সাথে —— কথা বলা আমাদের কর্তব্য।
i. মন্দ কথা
ii. সঠিক কথা
iii. সত্য কথা
নিচের কোনটি সঠিক?
পাড়া-প্রতিবেশীসহ অন্য সবার সাথে ‘সঠিক কথা’ এবং ‘সত্য কথা’ বলা আমাদের কর্তব্য, কারণ এতে সমাজে সৌহার্দ্য ও বিশ্বাস গড়ে উঠে। মন্দ কথা বলা বিরূপ প্রভাব ফেলে ও সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ii ও iii।
এই অধ্যায়ে আরও 585+ প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো