মোট 161+ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
গলবিলের নিচে এবং শ্বাসনালির উপরে অবস্থিত কোনটি?
কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রধানত কীরূপে পরিবাহিত হয়?
কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন:
খাদ্য জারণ বিক্রিয়া কোষে কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে। এই কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রথমে কোষ আবরণ ভেদ করে আন্তঃকোষীয় তরল ও লসিকাতে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে কৈশিকনালির প্রাচীর ভেদ করে রক্তরসে প্রবেশ করে। কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রধানত সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (NaHCO3) রূপে রক্তরসের মাধ্যমে এবং পটাশিয়াম বাই কার্বোনেট KHCO3 রূপে লোহিত রক্তকণিকা দিয়ে পরিবাহিত হয়ে ফুসফুসে আসে, সেখানে কৈশিকনালি ও বায়ুথলি ভেদ করে দেহের বাইরে নির্গত হয়।
শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে কী বলে?
শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, স্যাঁতসেঁতে ধূলিকণা মিশ্রিত আবহাওয়া, ঠাণ্ডা লাগা এবং ধূমপান থেকেও এ রোগ হওয়ার আশংকা থাকে।
বেশ কিছুদিন যাবৎ অসুস্থ রহিম সাহেব ডাক্তারের চেম্বারে গেলেন। ডাক্তার পরীক্ষা করে জানালেন, Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা একটি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ।
উক্ত রোগের লক্ষণ হলো—
i. রোগীর ওজন কমতে থাকে
ii. রোগীর ক্ষুধা বেড়ে যায়
iii. তিন সপ্তাহের বেশি কাশি থাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
রহিম সাহেব যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত। Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে যক্ষ্মা হয়। ম্যালেরিয়া, নিউমোনিয়া ও টাইফয়েডের জীবাণুগুলো হলো যথাক্রমে Plasmodium vivax, Pneumococcus ও Salmonella typhi উক্ত রোগে রোগীর ওজন কমতে থাকে, তিন সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে, কখনও কখনও কাশির সাথে রক্ত যায়, রাতে ঘাম হয় ও বিকেলের দিকে জ্বর আসে এবং অজীর্ণ ও পেটের পীড়া দেখা দেয় ।
Epiglottis কোথায় অবস্থিত?
স্বরযন্ত্র (Larynx): এটা গলবিলের নিচে এবং শ্বাসনালির উপরে অবস্থিত। স্বরযন্ত্রের দুই ধারে দুটি পেশি থাকে। এগুলোকে (Vocal cord) বলে। স্বরযন্ত্রের উপরে একটি জিহ্বা আকৃতির ঢাকনা রয়েছে। একে উপজিহ্বা (Epiglottis) বলে।
ল্যারিংস কোন তন্ত্রের অংশ?
ল্যারিংস বা স্বরযন্ত্র শ্বসনতন্ত্রের অংশ। এটি গলবিলের নিচে এবং শ্বাসনালির উপরে অবস্থিত।
Z অংশে থাকে-
i. বলয়াকার তরুণাস্থি
ii. সিলিয়াযুক্ত কোষ
iii. অ্যালভিওলাস
নিচের কোনটি সঠিক?
উদ্দীপকের X, Y, Z ও P দ্বারা যথাক্রমে গলবিল, স্বরযন্ত্র, ট্রাকিয়া ও ফুসফুসকে বোঝানো হয়েছে। উদ্দীপকের ‘x' অংশটি অর্থাৎ গলবিল পরিপাক ও শ্বসন উভয় তন্ত্রেই বিদ্যমান। মুখগহ্বর থেকে খাদ্যবস্তু গলবিলের মাধ্যমেই অন্ননালিতে পৌঁছে। খাদ্য এবং পানীয় গলাধঃকরণের সময় গলবিলের আলজিহ্বা নাসাপথের পশ্চাৎপথ বন্ধ করে দেয় যাতে খাদ্য নাসিকা পথে বাইরে আসতে পারে না। Z অংশ অর্থাৎ ট্রাকিয়ায় বলয়াকার তরুণাস্থি ও সিলিয়াযুক্ত কোষ থাকে । অ্যালভিওলাস P অংশ তথা ফুসফুসে থাকে ।
অ্যাজমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
i. বুকের ভেতর আওয়াজ হয়
ii. গলার শিরা ফুলে যায়
iii. জ্বর থাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
অ্যাজমার লক্ষণ-
হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়।
শ্বাসকষ্টে দম বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়, ঠোঁট নীল হয়ে যায়, গলার শিরা ফুলে যায়
রোগী জোরে জোরে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করে, এ সময় বুকের ভিতর সাঁই সাঁই আওয়াজ হয়।
ফুসফুসের বায়ুথলিতে ঠিকমতো অক্সিজেন সরবরাহ হয় না বা বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে রোগীর বেশি কষ্ট হয়।
কাশির সাথে কখনো কখনো সাদা কফ বের হয়।
সাধারণত জ্বর থাকে না।
শ্বাস নেওয়ার সময় রোগীর পাঁজরের মাঝে চামড়া ভিতরের দিকে ঢুকে যায়।
রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে।
শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ কোনটি?
ফুসফুস (Lung): ফুসফুস শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। বক্ষগহ্বরের ভিতর হৃৎপিণ্ডের দুই পাশে দুটি ফুসফুস অবস্থিত। এটি স্পঞ্জের মতো নরম এবং কোমল, হালকা লালচে রঙের।
রাতে ঘাম হয়, বিকালের দিকে জ্বর আসে, কখনো কখনো কাশির সাথে রক্ত যায়—কোন রোগের লক্ষণ?
যক্ষা রোগের লক্ষণ গুলো হলো -
রোগীর ওজন কমতে থাকে, আস্তে আস্তে শরীর দুর্বল হতে থাকে।
সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি সময় কাশি থাকে।
খুসখুসে কাশি হয় এবং কখনো কখনো কাশির সাথে রক্ত যায়।
রাতে ঘাম হয়, বিকেলের দিকে জ্বর আসে। দেহের তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়ে না।
বুকে পিঠে ব্যথা হয়।
অজীর্ণ ও পেটের পীড়া দেখা দেয়।
ব্রঙ্কাকাইটিসের কারণে রোগীর—
i. ঠোঁট নীল হয়ে যায়
ii. বুকে ব্যথা অনুভব হয়
iii. তীব্র শ্বাসকষ্ট হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ব্রঙ্কাইটিস রোগের লক্ষণ-
লক্ষণ
কাশি, বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হয়।
কাশির সময় রোগী বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে।
শক্ত খাবার খেতে পারে না।
কাশির সাথে অনেক সময় কফ বের হয়। যদি কমপক্ষে একটানা ও মাস কাশির সাথে কফ থাকে এবং এরকম অসুস্থতা পরপর 2 বছর দেখা যায়, তাহলে রোগীর ক্রনিক ব্রংকাইটিস হয়ে থাকতে পারে।
ফুসফুস থেকে অক্সিজেন কোন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে?
ফুসফুস থেকে অক্সিজেন ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে।
রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে কোন রোগটি হয়?
অ্যাজমা বা হাঁপানি (Asthma)
অ্যাজমা সাধারণত রোগ প্রতিরোধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে। অর্থাৎ কোনো একটি বহিঃস্থ পদার্থ ফুসফুসে প্রবেশ করলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করতে দেহের প্রতিরোধ-ব্যবস্থার যেটুকু প্রতিক্রিয়া দেখানোর কথা, তার চেয়ে অনেক তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া ঘটলে অ্যাজমা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাজমা আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তির বংশে হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে। এটি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রোগও নয়।
Mycobacterium tuberculosis এই জীবাণুটি কোন রোগ সৃষ্টি করে?
সাধারণত Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়। তবে Mycobacterium গণভুক্ত আরও কিছু ব্যাকটেরিয়া যক্ষ্মা সৃষ্টি করতে পারে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
কোনটি শ্বাসনালির রোগ?
ব্রংকাইটিস (Bronchitis)
শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে। ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, স্যাঁতসেঁতে ধূলিকণা মিশ্রিত আবহাওয়া, ঠাণ্ডা লাগা এবং ধূমপান থেকেও এ রোগ হওয়ার আশংকা থাকে। একবার ব্রংকাইটিস হলে বারবার এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাধারণত শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
এই অধ্যায়ে আরও 146+ প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো