মোট 29+ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস কোনটি?
'ফোকলোর' কথাটির উদ্ভাবক কে?
'ধরি মাছ না ছুই পানি।' এটি কোন ধরনের পল্লিসাহিত্য?
পল্লিসাহিত্যের মধ্যে নিচের কোনটিকে লেখক অমূল্য রত্নবিশেষ বলে অভিহিত করেছেন?
'সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস'-
i. বাঁধাবুলি
ii. ঘুমপাড়ানী গান
iii. খোকা-খুকির ছড়া
নিচের কোনটি সঠিক?
'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে 'সরস প্রাণের জীবন্ত উৎস' বলা হয়েছে কোন সাহিত্যকে?
পল্লিসাহিত্য সম্পদের মধ্যে কোনটি অমূল্য রত্নবিশেষ?
পল্লিসাহিত্যের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে পল্লি গানগুলো অমূল্য রত্নবিশেষ। পল্লিগানে আছে প্রেম, আনন্দ, সৌন্দর্য ও তত্ত্বের কথা।
'তাতে কত প্রেম, কত আনন্দ, কত সৌন্দর্য, কত তত্ত্বজ্ঞান ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।'-কীসে?
পল্লিসাহিত্যের কোন ধারাকে অমূল্য রত্নবিশেষ বলা হয়?
পল্লির গানগুলো যুগ যুগ ধরে লালিত পল্লিমানুষের জীবনালেখ্য বলে এগুলো আমাদের অমূল্য রত্নবিশেষ।
পল্লিসাহিত্য সম্পদের মধ্যে কোনটি অমূল্য রত্ন বিশেষ?
'ধরি মাছ না ছুঁই পানি'— এ প্রবাদের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ পক্তি হলো-
'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে খোকা-খুকির ছড়াকে সরস- প্রাণের জীবন্ত উৎস বলা হয়েছে কেন?
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে খোকা-খুকির ছড়াকে ‘সরস-প্রাণের জীবন্ত উৎস’ বলা হয়েছে কারণ
, এই ছড়াগুলোতে পল্লির সহজ-সরল মানুষের আবেগ, অকৃত্রিম স্নেহ এবং প্রকৃতির রূপের সাথে মানুষের একাত্মতার ছবি ফুটে ওঠে, যা কৃত্রিমতাহীন ও হৃদয়ে গভীর আবেদন সৃষ্টি করে।
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:
একসময় শীতের শুরুতেই গ্রামে গ্রামে বায়োস্কোপওয়ালাদের দেখা যেত। ডুগডুগ শব্দ শুনলেই ছেলে ছোকরারা বাড়িঘর, মক্তব, পাঠশালা ছেড়ে রাস্তায় জড়ো হতো। বৈচিত্র্যপূর্ণ বাহারি পোশাক পরে বায়োস্কোপওয়ালারা মানুষকে আকৃষ্ট করত। 'এই... দেখবে বায়োস্কোপ' বলে তারা গ্রামে-গ্রামে ঘুরে বেড়াত। অনেক দিন পরিবারের সাথে দেখাই হতো না তাদের।
উক্ত সাদৃশ্যের কারণ কী?
i.বেঁচে থাকার সংগ্রাম
ii. কাজের প্রতি ভালোবাসা
iii. পথ চলার আনন্দ
নিচের কোনটি সঠিক?
উদ্দীপকের আলোকে উক্ত সাদৃশ্যের প্রধান কারণ হলো i. বেঁচে থাকার সংগ্রাম।
ব্যাখ্যা:
বায়োস্কোপওয়ালারা পেশাগত কারণে দূরে ঘুরে বেড়ায় এবং দীর্ঘ সময় পরিবারের সাথে দেখা করতে পারে না, যা তাদের জীবিকা নির্বাহের (বেঁচে থাকার সংগ্রাম) ইঙ্গিত দেয়। "কাজের প্রতি ভালোবাসা" বা "পথ চলার আনন্দ" এখানে মূল কারণ হিসেবে নির্দেশিত হয়নি।
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:
লালপুর গ্রামের ছেলেরা করিম বয়াতির গান শুনে আগে ডিসেম্বরে স্কুলের ছুটি কাটাত। মাঝে মাঝে পরীবানু ও কমলা সুন্দরীর পালাগান হতো-হাইস্কুল মাঠে। ছেলে- বুড়ো সবাই গভীর মনোযোগ দিয়ে সে পালাগান শুনত। এখন এ আসর বসলেও চাষাভুষার আয়োজন বলে সবাই পাস কাটিয়ে চলে যায়।
গ্রামবাসীর বয়াতির গান ও পালাগান শুনতে না চাওয়ার কারণ-
i. নিজেদের বেশি শিক্ষিত মনে করা
ii. আধুনিক সংস্কৃতিচর্চায় ব্যস্ততা
iii. লোকসংস্কৃতির প্রতি অবহেলা
নিচের কোনটি সঠিক?
উদ্দীপকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গ্রামবাসীর বয়াতির গান ও পালাগান শুনতে না চাওয়ার মূল কারণগুলো হলো—
✅ i. নিজেদের বেশি শিক্ষিত মনে করা – আধুনিক শিক্ষার প্রসারের ফলে অনেকেই লোকসংস্কৃতিকে নিম্নশ্রেণির সংস্কৃতি মনে করছে।
✅ ii. আধুনিক সংস্কৃতিচর্চায় ব্যস্ততা – বর্তমানে মানুষ আধুনিক বিনোদনের দিকে বেশি ঝুঁকছে, তাই পালাগান বা বয়াতির গান তাদের কাছে কম আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।
✅ iii. লোকসংস্কৃতির প্রতি অবহেলা – আধুনিকতার প্রভাবে অনেকেই লোকসংস্কৃতিকে অবহেলা করছে এবং এটিকে পিছিয়ে পড়া সংস্কৃতি মনে করছে।
📌 সঠিক উত্তর: (i, ii ও iii) – তিনটি কারণই সঠিক।
'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে নিচের কোনটিতে ভূয়োদর্শনের পরিপক্ক ফল সঞ্চিত থাকার কথা বলা আছে?
'পল্লিসাহিত্য' প্রবন্ধে
মুহম্মদ শহীদুল্লাহবলেছেন যে
প্রবাদ-প্রবচন, ডাকের কথা ও খনার বচনইত্যাদিতে যুগ যুগান্তরের ভূয়োদর্শনের পরিপক্ক ফল সঞ্চিত থাকে, যা পল্লিসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।
এই অধ্যায়ে আরও 14+ প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো