বাংলা ১ম পত্র — উপন্যাস: কাকতাড়ুয়া – সেলিনা হোসেন MCQ

মোট 39+ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ

প্রশ্ন 1

"সর্বনাশের কী আছে? আমরা কী করলাম? কিছু করছি আমরা?” এ উক্তিটি কার?

  • A

    মতি মিয়া

  • B

    আজিজ মাস্টার

  • C

    ইমাম সাহেব

  • D

    জয়নাল মিয়া

    ✓ সঠিক উত্তর

জয়নাল মিয়া বিরক্ত হয়ে বলে, সর্বনাশের কী আছে? আমরা কী করলাম? কিছু করছি আমরা?

বদি মুখ লম্বা করে বসে থাকে। একসময় মৃদু স্বরে বলে, মুসলমানের জন্যে ভয়ের কিছুই নাই। এরা মুসলমানদের খুব খাতির করে। তবে পাক্কা মুসলমান হওয়া লাগে। চাইর কলমা জিজ্ঞেস করে।

প্রশ্ন 2

মিলিটারির নির্দেশে আজিজ মাস্টারকে ডাকতে কে আসে?

  • A

    গ্রাম প্রধান

  • B

    স্কুলের দপ্তরি ও দারোয়ান রাসমোহন

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    ইমাম সাহেব ও মুয়াজ্জিন

  • D

    চিত্রা বুড়ি ও সেনবাড়ির কর্তা

আজিজ মাস্টারের অনিদ্রা রোগ আছে।

অনেক রাত পর্যন্ত তাকে জেগে থাকতে হয় বলেই অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমুতে হয়। আজ তাকে ভোরের আলো ফোটার আগেই জাগতে হল। কারণ স্কুলের দপ্তরি ও দারোয়ান রামমোহন প্রচন্ড শব্দে দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে। যেন ভূমিকম্প হচ্ছে, এক্ষুণি আজিজ মাস্টারকে ঘর থেকে বের করতে হবে। বন্ধ দরজার ওপাশ থেকে আজিজ মাষ্টার কথা বলল, এই রাসমোহন, কী ব্যাপার?

আপনারে ডাকে, আপনারে ডাকে।

কে ডাকে?

মিলিটারি। গেরামে মিলিটারি আসছে। ইস্কুলঘরে।

কী বলছিস রাসমোহন?

প্রশ্ন 3

'১৯৭১' উপন্যাসের পুরো ঘটনা সংঘটনে কত সময় লেগেছে?

  • A

    একদিন ও একরাত

  • B

    দুইরাত ও একদিন

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    দুইরাত ও দুইদিন

  • D

    একরাত ও দুইদিন

খ. দুইরাত ও একদিন

উপন্যাস '১৯৭১' এর পুরো ঘটনা সংঘটিত হয়েছে মাত্র দুই রাত এবং একদিন সময়ের মধ্যে। এই সংক্ষিপ্ত সময়ে গল্পের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং চরিত্রগুলোর জটিল পরিস্থিতি উন্মোচিত হয়েছে, যা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার এক টানটান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি চিত্রিত করে।

প্রশ্ন 4

হতদরিদ্র নীলগঞ্জের প্রথম ভিক্ষুক কে?

  • A

    মনা কৈবর্ত

  • B

    চিত্রাবুড়ি

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    নিজাম

  • D

    বলাই

বুড়ি আরো কিছুদিন ছোটাছুটি করল। এবং একদিন দেখা গেল কৈবৰ্তরা দল বেঁধে জলমহালে মাছ মারতে গিয়েছে, বুড়িকে সঙ্গে নেয় নি। বুড়ি আকাশ ফাটিয়ে চিৎকার করল কিছু দিন। নীলু সেনের দালানের এক প্রান্তে থাকতে লাগল। চরম দুর্দিন। কৈবর্তরা ফিরে এল তিন মাস পর—কিন্তু বুড়ির জায়গা হল না। সে এ-বাড়ি ও-বাড়ি ভিক্ষা করে খেতে লাগল। হতদরিদ্র নীলগঞ্জের প্রথম ভিক্ষুক।

প্রশ্ন 5

নীলগঞ্জ গ্রামে আসা দ্বিতীয় সেনাদলের সঙ্গে কতজন রাজাকার ছিল?

  • A

    ত্রিশজন

  • B

    চল্লিশজন

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    পঞ্চাশজন

  • D

    বিশজন

নীলগঞ্জ গ্রামে ছোটাছুটি শুরু হয়ে গেল। দ্বিতীয় একটা সৈন্যদল এসে ঢুকল। তারা ঢুকল মার্চ করে। গর্বিত ভঙ্গিতে। তাদের সঙ্গে আছে চল্লিশ জন রাজাকারের একটি দল। তালে-তালে পা ফেলবার একটা প্রাণান্ত চেষ্টা করছে তারা। দলটি অনেক দূর থেকে আসছে। এদের চোখেমুখে ক্লান্তি। হয়তো সারা রাত ধরেই হাঁটছে, কোথাও বিশ্রাম করে নি।

প্রশ্ন 6

আজিজ মাস্টার মালার জন্য কোথা থেকে আয়না কিনেছিল?

  • A

    ঢাকা

  • B

    ময়মনসিংহ

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    নীলগঞ্জ

  • D

    চট্টগ্রাম

গতবার ময়মনসিংহ থেকে মালার জন্যে একটা আয়না কিনেছিল আজিজ মাস্টার। খুব বাহারি জিনিস। দুটা আয়না পাশাপাশি। একটি সাধারণ আয়না, অন্যটি একটু অন্য রকম। সেটায় মুখ অনেক বড়ো দেখা যায়।

প্রশ্ন 7

মেজরের কণ্ঠে বেতারের কথা শুনে আজিজ মাস্টারের কী হয়?

  • A

    তিনি উচ্ছ্বসিত হন

  • B

    তিনি জোরে হেসে ওঠেন

  • C

    তাঁর গলায় কফি আটকে যায়

    ✓ সঠিক উত্তর
  • D

    তিনি আনন্দে কেঁদে ফেলেন

জি-স্যার, ঠিক।

আচ্ছা, এ-গ্রামে ট্রানজিষ্টার আছে কার কার? তোমার আছে?

আজিজ মাস্টারের গলায় কফি আটকে গেল। তার আছে এবং সে স্বাধীন বাংলা বেতার শোনে।

কি, আছে?

জ্বি স্যার।    

প্রশ্ন 8

যে ছোট দলটি পাকিস্তানি ফ্ল্যাগ হাতে মিলিটারিদের সঙ্গে দেখা করতে যায়, তার নেতৃত্ব কে দেন?

  • A

    রাসমোহন দারোয়ান

  • B

    সেনবাড়ির কর্তা

  • C

    ইমাম সাহেব

  • D

    আজিজ মাস্টার

    ✓ সঠিক উত্তর

রোদ উঠে গেছে।

বৈশাখ মাস—অল্প সময়েই রোদ ঝাঁঝাল হয়ে ওঠে।

ছোট্ট দলটি, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে আজিজ মাস্টার, রোদে দাঁড়িয়ে ঘামছে। তাদের মুখ রক্তশূন্য।….পাকিস্তানের ফ্ল্যাগটি মতি মিয়ার হাতে। সে হাত উঁচু করে ফ্ল্যাগটি দোলাচ্ছিল—হাত ব্যথা হয়ে গেছে, কিন্তু নামাবার সাহস হচ্ছে না। আজিজ মাস্টার খুকখুক করে কয়েক বার কাশল।

প্রশ্ন 9

হরিমতি ও তার যুবতি মেয়ে সুমতি খান সেনাদের দেখে কাঁখ থেকে কলসি ফেলে দৌড় দেয়। আত্মরক্ষার জন্য তারা রাস্তার পাশে একটা স্কুল ঘরে আশ্রয় নেয়। ঘরে ঢুকে দম নেওয়ার আগেই তারা খান সেনাদের বুটের শব্দ শুনতে পায়। খানিকক্ষণ পর মা-মেয়ের আর্তনাদ ওঠে। পরে সব শান্ত হয়ে যায়। খান সেনারা মা-মেয়েকে হত্যা না করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে স্কুলঘর ছেড়ে চলে যায়।

উদ্দীপকের হরিমতি ও সুমতি চরিত্রের সঙ্গ '১৯৭১' উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র হলো-

  • A

    চিত্রাবুড়ি

  • B

    মালা

  • C

    অনুফা ও পরীবানু

  • D

    সফদরউল্লাহর স্ত্রী ও শ্যালিকা

    ✓ সঠিক উত্তর

সঠিক উত্তর হলো:

সফদরউল্লাহর স্ত্রী ও শ্যালিকা

এই চরিত্রগুলোও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল, এবং তাদেরও একইভাবে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতে হয়েছিল, যেমন হরিমতি ও সুমতি।

প্রশ্ন 10

হরিমতি ও তার যুবতি মেয়ে সুমতি খান সেনাদের দেখে কাঁখ থেকে কলসি ফেলে দৌড় দেয়। আত্মরক্ষার জন্য তারা রাস্তার পাশে একটা স্কুল ঘরে আশ্রয় নেয়। ঘরে ঢুকে দম নেওয়ার আগেই তারা খান সেনাদের বুটের শব্দ শুনতে পায়। খানিকক্ষণ পর মা-মেয়ের আর্তনাদ ওঠে। পরে সব শান্ত হয়ে যায়। খান সেনারা মা-মেয়েকে হত্যা না করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে স্কুলঘর ছেড়ে চলে যায়।

হরিমতি ও সুমতি চরিত্রের সঙ্গে এরূপ সাদৃশ্যের কারণ-

i. তারা উভয়েই স্বাধীনতা যুদ্ধে সমসাময়িক

ii. তারা উভয়েই পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার

iii. তারা উভয়েই কৃষিজীবী পরিবারের সদস্য

নিচের কোনটি ঠিক?

  • A

    i ও ii

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    i ও iii

  • C

    ii ও iii

  • D

    i,

    ii ও iii

ক. i ও ii

কারণ:

- i. তারা উভয়েই স্বাধীনতা যুদ্ধে সমসাময়িক: হরিমতি ও সুমতি চরিত্র স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার, যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশজুড়ে নির্যাতন চালাচ্ছিল।

- ii. তারা উভয়েই পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার: উক্ত ঘটনাটিতে, হরিমতি ও সুমতি পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সেনারা তাদের হত্যা করতে আসলেও, শেষে তারা প্রাণে বেঁচে যান, কিন্তু গুরুতরভাবে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান।

তবে, iii. তারা উভয়েই কৃষিজীবী পরিবারের সদস্য এই তথ্যটি সরাসরি উপন্যাস বা লেখায় উল্লেখ করা হয়নি, তাই তা সঠিক নয়।

প্রশ্ন 11

মেজর এজাজের নির্দেশে কাকে গুলি করে হত্যা করা হয়?

  • A

    আজিজ মাস্টার ও মতি মিয়া

  • B

    মনা ও তার ছোট ভাই বিরু

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    ইমাম সাহেব ও নীলু সেন

  • D

    বদিউজ্জামান ও জয়নাল মিয়া

রফিক নিস্পৃহ স্বরে বলল, একটি অপরাধীর বিচার হবে। ওর নাম, মনা। সে খুন করেছে। সেই খুন নিয়ে কোনো থানা-পুলিশ হয় নি। এক বুড়ি নালিশ করেছে মেজর সাহেবের কাছে। ঐ বুড়ির নাম চিত্ৰা বুড়ি।

ইমাম সাহেব বললেন, চিত্রা বুড়ি। খুব বজ্জাত। মসজিদের একটা বদনা চুরি করেছে।

বদনা চুরি করুক আর না-করুক মেজর সাহেব তার কথা শুনে খুব রাগ করেছেন। মনাকে ধরা হয়েছে। কঠিন শাস্তি হবে।রাজাকাররা মনা আর তার ভাইটিকে ঠেলে পানিতে নামিয়ে দিল। বিরু তার ভাইয়ের কোমর জড়িয়ে ধরে আছে। সে কাঁপছে থরথর করে। মনা এক হাতে তার ভাইকে ধরে আছে।

রাইফেল তাক করা মাত্র বিরু চিৎকার করতে লাগল, দাদা, বড় ভয় লাগে। ও দাদা, ভয় লাগে। মনা মৃদু স্বরে বলল, ভয় নাই। আমারে শক্ত কইরা ধর। বিরু প্রাণপণ শক্তিতে ভাইকে আঁকড়ে ধরল।

ইমাম সাহেব গুলি হবার সময়টাতে চোখ বন্ধ করে ফেললেন। এবং তার পরপরই মুখভর্তি করে বমি করলেন। আজিজ মাস্টার সমস্ত ব্যাপারটি চোখের সামনে ঘটতে দেখল। এক পলকের জন্যেও দৃষ্টি ফিরিয়ে নিল না।

প্রশ্ন 12

মতি মিয়ার শালার নাম কী?

  • A

    নিজাম

    ✓ সঠিক উত্তর
  • B

    বিরু

  • C

    বলাই

  • D

    বদিউজ্জামান

সব গ্রামের মতো এই গ্রামে এক জন পাগলও আছে। মতি মিয়ার শালা নিজাম। সে বেশির ভাগ সময়ই সুস্থ থাকে। শুধু দু-এক দিন মাথা গরম হয়ে যায়। তখন তার গায়ে কোনো কাপড় থাকে না। গ্রামের এ-মাথা থেকে ও-মাথা পর্যন্ত ছোটাছুটি করতে থাকে। দুপুরের রোদ খুব বেড়ে গেলে মধুবন জঙ্গলায় ঢুকে পড়ে।

প্রশ্ন 13

মীর আলি প্রতিদিন ভোরে সাড়ম্বরে কাশে কেন?

  • A

    সকালে ব্যায়াম করার অভ্যাস থেকে

  • B

    অনুফাকে চায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    অন্যদের জাগিয়ে দেওয়ার জন্য

  • D

    ঠান্ডার কারণে স্বাভাবিকভাবেই কাশে

মীর আলি প্রতিদিন ভোরেই বেশ সাড়ম্বরে খানিকক্ষণ কাশে, যাতে অনুফার চায়ের কথাটা মনে পড়ে। বেশির ভাগ দিনই তার মনে পড়ে না। আজও হয়তো পড়বে না। তবু সে কাশতে লাগল। কাশতে-কাশতেই পরীবানুকে বলল, চা হইল সর্দিকাশের বড়ো অষুধ। বুঝছস পরী?

প্রশ্ন 14

ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যরা কোথায় আশ্রয় নিয়েছিল বলে পাকিস্তানি বাহিনীর ধারণা?

  • A

    মধুবন বাজারে

  • B

    কৈবর্ত পাড়ায়

  • C

    নীলগঞ্জের স্কুলঘরে

  • D

    জঙ্গলা মাঠে

    ✓ সঠিক উত্তর

মেজর সাহেব সিগারেটের প্যাকেট বাড়িয়ে দিলেন। নিজে একটি ধরালেন। তাঁর চোখে এখন আর হাসি ঝিকমিক করছে না।

তোমাদের এই জঙ্গলা-মাঠে কী আছে?

কিছু নাই। জঙ্গল।

আমরা জানি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বেশ কিছু জোয়ান এবং কয়েক জনঅফিসার এখানে লুকিয়ে আছে।

প্রশ্ন 15

মিলিটারির কবল থেকে বাঁচতে ইমাম সাহেব আজিজ মাস্টারকে কী পড়তে বলেন?

  • A

    আয়াতুল কুরসি

  • B

    দোয়া ইউনুস

    ✓ সঠিক উত্তর
  • C

    সুরা ফাতিহা

  • D

    দোয়া কুনুত

ইমাম সাহেবের মনে হল স্কুল কম্পাউন্ডের গেটের কাছে দাঁড়ানো একটা লোক হাত ইশারা করে তাঁকে ডাকছে। লোকটির পরনে ফুল প্যান্ট এবং নীল রঙের একটা হাফ শার্ট। কিন্তু তাঁকে ডাকছে কেন? নাকি তিনি ভুল দেখছেন। ইমাম সাহেবের কপালে বিন্দু-বিন্দু ঘাম জমল। তিনি এক বার আয়াতুল কুর্সি ও তিন বার দোয়া ইউনুস পড়ে স্কুলঘরের দিকে এগুলেন।

নীল শার্ট পরা লোকটিও এগিয়ে আসছে তার দিকে। ব্যাপার কী? এ কে? তিনি অতি দ্রুত দোয়া ইউনুস পড়তে লাগলেন, লাইলাহা ইল্লা আন্তা সোবাহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজুয়ালেমিন। এই দোয়াটি খুব কাজের। হযরত ইউনুস আলায়হেস সালাম মাছের পেটে বসে এই দোয়া পড়েছিলেন।

……

আজিজ মাস্টার চলে যাবার পর দীর্ঘ সময় কেউ কোনো কথা বলল না। মেজর সাহেব গম্ভীর মুখে সিগারেট টানতে লাগলেন। জয়নাল মিয়া কাঁপতে লাগল থরথর করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্কুলঘরের পেছনে কয়েকটি গুলির শব্দ হল। ইমাম সাহেব ক্রমাগত দোয়া ইউনুস পড়তে লাগলেন।

এই অধ্যায়ে আরও 24+ প্রশ্ন আছে

ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো
← বাংলা ১ম পত্র-এর সব অধ্যায় দেখো