মোট 95+ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
জীবনানন্দ দাশের কবিতার মৌলিক প্রেরণা কোনটি?
জীবনানন্দ দাশের কবিতার মৌলিক প্রেরণা হলো প্রকৃতির রহস্যময় সৌন্দর্য
'মরিতে চাহি না এই সুন্দর ভুবনে মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।' কবির এই আকুতির প্রতিধ্বনি পাই কোন রচনায়?
'সেই দিন এই মাঠ' কবিতায় বর্ণিত ফুলের নাম কী?
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!'-এ পঙ্ক্তিটি কবিতায় কতবার ব্যবহৃত হয়েছে?
বাংলা সাহিত্যে আধুনিক জীবন চেতনার কবি কে?
বাংলা সাহিত্যে জীবনানন্দ দাশ
(১৮৯৯–১৯৫৪) আধুনিক জীবন চেতনার কবি হিসেবে পরিচিত। রবীন্দ্র-উত্তর যুগের এই কবি বাংলা কবিতায় আধুনিকতা, নিঃসঙ্গতা, সংশয় এবং পরাবাস্তববাদের প্রবর্তন করেন, যা তাকে রবীন্দ্রনাথের পর সবচেয়ে প্রভাবশালী আধুনিক কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও:
'এ পৃথিবী যেমন আছে তেমনি পরে রবে সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে।'
উদ্দীপকটি কোন কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি'- এখানে 'মাঠ' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
জীবনানন্দ দাশের 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় 'মাঠ' বলতে মূলত ক. প্রকৃতি-কে বোঝানো হয়েছে ।
কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, মানুষ মরণশীল এবং একদিন পৃথিবী থেকে চলে যাবে, কিন্তু এই চিরন্তন প্রকৃতির সৌন্দর্য, মাঠ, নদী এবং নক্ষত্ররাজি চিরকাল একইভাবে প্রাণবন্ত ও অবিনশ্বর থাকবে
'সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি'- পঙক্তিটিতে কবি 'মাঠ' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
জীবনানন্দ দাশের 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় 'মাঠ' বলতে কবি মূলত ঘ. প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা প্রকৃতির চিরন্তন রূপকে বুঝিয়েছেন।
মানুষ বা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেলেও প্রকৃতির এই রূপ, চালতা ফুল, বা লক্ষ্মীপেঁচার গান—অর্থাৎ প্রকৃতির প্রবাহ ও সৌন্দর্য চিরকাল অক্ষুণ্ন থাকবে, যা "সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি" পঙক্তিটির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।
'সেই দিন এই মাঠ' কবিতায় কবির ভাবনায় কী প্রকাশ পেয়েছে?
মঙ্গলবার্তা কার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়?
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় কোনটি শিশিরের জলে ভিজে রহস্যময় সৌন্দর্যে ফুটে উঠবে?
জীবনানন্দ দাশের 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার পঙ্ক্তি অনুযায়ী, মানুষের মৃত্যুর পরও প্রকৃতির যে সৌন্দর্য অমলিন থাকবে, তার বর্ণনা দিতে গিয়ে কবি একটি বিশেষ ফুলের কথা উল্লেখ করেছেন।
সঠিক উত্তর: গ) চালতাফুল
কবিতার প্রাসঙ্গিক অংশ:
কবি কবিতায় লিখেছেন—
" চালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে নরম গন্ধের ঢেউয়ে?"
বিশ্লেষণ:
প্রকৃতির রহস্যময়তা: কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, তিনি যখন পৃথিবীতে থাকবেন না, তখনও প্রকৃতির এই ছোট ছোট রূপগুলো হারিয়ে যাবে না। চালতাফুল ঠিক আগের মতোই শিশিরের জলে ভিজবে এবং তার স্নিগ্ধ 'নরম গন্ধ' বাতাসে ছড়িয়ে দেবে।
অবিনশ্বর সৌন্দর্য: মানুষের তৈরি জগত বা সভ্যতা নশ্বর হতে পারে, কিন্তু চালতাফুলের শিশিরে ভেজা এই প্রাকৃতিক ও রহস্যময় সৌন্দর্য চিরকাল বহমান থাকবে।
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় শান্তবাতি- ভিজেগন্ধ মৃদু কলরব'- এগুলো কবির কোন ভাবনার ইঙ্গিতবাহী?
জীবনানন্দ দাশের 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতায় 'শান্তবাতি, ভিজেগন্ধ, মৃদু কলরব'—এই শব্দবন্ধগুলো প্রকৃতির একটি অবিরাম ও স্নিগ্ধ গতির ছবি তুলে ধরে।
সঠিক উত্তর: খ) প্রকৃতির চিরায়ত রূপ
কেন এই উত্তরটি সঠিক? (বিশ্লেষণ)
প্রকৃতির ধারাবাহিকতা: কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, পৃথিবীতে মানুষ আসবে এবং চলে যাবে, কিন্তু প্রকৃতির এই ছোট ছোট অনুষঙ্গগুলো কখনও হারিয়ে যাবে না। 'শান্তবাতি' (সন্ধ্যার স্নিগ্ধ আলো), 'ভিজেগন্ধ' (বৃষ্টি বা শিশির ভেজা মাটির ঘ্রাণ) এবং 'মৃদু কলরব' (প্রকৃতির স্বাভাবিক শব্দ)—এগুলো শত বছর আগেও ছিল, আজও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
অবিনশ্বরতা: মানুষ মারা গেলেও প্রকৃতি তার এই চিরাচরিত রূপ বা ছন্দ হারায় না। এই শব্দগুলো প্রকৃতির সেই অবিনশ্বর বা চিরস্থায়ী রূপকেই ফুটিয়ে তোলে।
জীবনানন্দের দর্শন: কবির দর্শনে মৃত্যু ব্যক্তি মানুষের জন্য সত্য, কিন্তু প্রকৃতির সৌন্দর্যের কোনো মৃত্যু নেই। প্রকৃতি তার আপন খেলায় মত্ত থাকে সবসময়।
"পৃথিবীর এই সব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল"
এখানে প্রকাশ পেয়েছে-
i. প্রকৃতির নিত্যতা
ii. প্রকৃতি চিরন্তন
iii. পৃথিবীর বহমানতা
নিচের কোনটি সঠিক?
জীবনানন্দ দাশ প্রধানত কী হিসেবে পরিচিত?
কোভিড-১৯ এর প্রভাবে দীর্ঘ লকডাউন শেষে দেখা যাচ্ছে তার আপন মহিমা প্রকাশ করতে শুরু করেছে। স্যাটেলাইটের ছবিতে সবুজের মাত্রা বেড়ে গেছে।
উদ্দীপকটি 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার কোন বিষয়টি নির্দেশ করে?
এই অধ্যায়ে আরও 80+ প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো