মোট 122+ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
"কপোতাক্ষ নদ' কবিতার অষ্টকের মিলবিন্যাস কোনটি?
চতুর্দশপদী কবিতায় কয়েক প্রকার অন্ত্যমিল প্রচলিত আছে। যেমন, প্রথম আট
চরণ : কখখক কখখক। শেষ ছয় চরণ: ঘঙচ ঘঙচ। অথবা প্রথম আট চরণ: কখখগ কখখগ, শেষ ছয় চরণ: ঘঙঘঙ চচ। 'কপোতাক্ষ নদ' একটি চতুর্দশপদী কবিতা। এখানে মিলবিন্যাস :
কখকখ কখখক গঘগ ঘগঘ।
'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কোন চরণের মধ্যে সংশয়বোধ প্রকাশ পেয়েছে?
কপোতাক্ষ নদের জলকে কবি কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
'পুরনো সেই দিনের কথা ভুলবে কিরে হায় ও সেই চোখের দেখা, প্রাণের কথা সে কি ভুলা যায়।'
'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সাথে উদ্ধৃতাংশের মিল রয়েছে-
'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় স্মৃতিকাতরতার আবরণে কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে?
'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার ষষ্ঠকের ছন্দমিল কোনটি?
2
'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার 'সতত, হে নদ তুমি পড় মোর মনে'- এ পঙ্ক্তিটির মধ্যে কোন ভাবটি ফুটে উঠেছে?
সেই মনে পড়ে জ্যৈষ্ঠের ঝড়ে রাত্রে নাহিকো ঘুম,
অতিভোরে উঠি তাড়াতাড়ি ছুটি আম কুড়াবার ধুম।
কবিতাংশটি তোমার পঠিত কোন কবিতার ভাবকে ধারণ করেছে?
"নমঃ নমঃ নমঃ সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি গঙ্গার তীর, স্নিগ্ধ সমীর, জীবন জুড়ালে তুমি।"
উদ্দীপকে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কোন ভাবটি ধরা পড়েছে?
চতুর্দশপদী কবিতার অষ্টকে থাকে-
বাংলা ভাষায় মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দ কোনটি?
বাংলা ভাষায় মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দের নাম অমিত্রাক্ষর ছন্দ। এই ছন্দে চরণগুলির মধ্যে অন্ত্য মিল থাকে না, যা বাংলা সাহিত্যে একটি নতুন ধারা সৃষ্টি করে।
"কপোতাক্ষ নদ" কবিতার শেষ পঙ্ক্তি কোনটি?
'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি সাগরকে দেখেছেন রাজারূপে। প্রজামাত্রই রাজাকে কর বা খাজনা দিয়ে থাকে। প্রজারূপী কপোতাক্ষের জল কর বা খাজনা হিসেবে সাগরে প্রতিনিয়ত প্রবাহিত হয়।
'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় ষটক- এর মেলবন্ধন কোনটি?
'কপোতাক্ষ নদ' কবিতাটি রচনাকালে কবি কোন দেশে ছিলেন?
'লইছে যে তব নাম বঙ্গের সংগীতে'-এখানে কার নামের কথা বলা হয়েছে?
এই অধ্যায়ে আরও 107+ প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো