মোট 393+ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ব্যাখ্যাসহ
নিরক্ষরেখা থেকে প্রত্যেক মেরুর কৌণিক দূরত্ব কত?
সূর্য নিজ অক্ষের চারিদিকে কতদিনে একবার ঘোরে?
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার দ্রাঘিমার মান কত?
\(১^{\circ}\) দ্রাঘিমান্তরে কত মিনিট সময়ের ব্যবধান হয়?
পৃথিবী ৩৬০° দ্রাঘিমা ঘুরতে সময় নেয় ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট। এর ফলে, ১° দ্রাঘিমা ঘুরতে পৃথিবীর সময় লাগে ১৪৪০ / ৩৬০ = ৪ মিনিট। তাই, ১° দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় রাত কবে?
সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক কোনটি?
একে অপরের প্রতিপাদ বিন্দুতে-
i. ১২ ঘণ্টার ব্যবধান থাকে
ii. দুটির অবস্থান দুই গোলার্ধে
iii. বিপরীত ঋতু বিরাজমান
নিচের কোনটি সঠিক?
প্রতিপাদ বিন্দু হলো পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে কোনো স্থানের বিপরীত দিকে অবস্থিত বিন্দু, যা সম্পূর্ণ বিপরীত বৈশিষ্ট্য বহন করে। প্রথমত, পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে দুটি প্রতিপাদ বিন্দুর মধ্যে সময়ের ১২ ঘণ্টার ব্যবধান থাকে, কারণ একটিতে যখন দিন তখন অপরটিতে রাত বিরাজ করে। দ্বিতীয়ত, প্রতিপাদ বিন্দু দুটি সর্বদা দুটি ভিন্ন গোলার্ধে অবস্থিত থাকে, অর্থাৎ একটি উত্তর গোলার্ধে হলে অপরটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত হয়। তৃতীয়ত, দুটি ভিন্ন গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ার কারণে প্রতিপাদ বিন্দু দুটিতে সর্বদা বিপরীত ঋতু বিরাজ করে, অর্থাৎ একটিতে গ্রীষ্মকাল হলে অপরটিতে শীতকাল বিদ্যমান থাকে।
সুনামির মূল কারণ কী?
সুনামির মূল কারণ সাধারণত সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
যখন সমুদ্রতলে টেকটোনিক প্লেটের আকস্মিক সরে যাওয়া বা সংঘর্ষ ঘটে, তখন বিপুল পরিমাণ পানি স্থানচ্যুত হয়।
এই স্থানচ্যুত পানিই বিশাল ঢেউ আকারে সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে আসে, যাকে আমরা সুনামি বলি।
তবে মাঝে মাঝে সমুদ্রতলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস বা উল্কাপাত থেকেও সুনামি হতে পারে, কিন্তু প্রধান ও সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ভূমিকম্প।
সূর্য থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে দূরবর্তী অবস্থানকে কী বলে?
উদ্দীপকে কোন তিথিকে নির্দেশ করেছে?
ভূমিকম্পের ভয়ে কোন দেশের মানুষ কাঠ ও কাগজ দিয়ে ঘরবাড়ি তৈরি করে?
জাপানের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে এবং ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে কাঠ ও হালকা উপকরণ (যেমন ঐতিহ্যবাহী শোজি বা ফুসুমা-এর মতো কাগজে মোড়ানো স্লাইডিং প্যানেল) ব্যবহার করে ঘরবাড়ি তৈরি করে।
৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার প্রতিপাদ স্থানের দ্রাঘিমা হবে-
২০° ডিগ্রি দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য কত?
একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রাঘিমার ব্যবধানের উপর ভিত্তি করে সময়ের পার্থক্য গণনা করা হয়। পৃথিবী তার অক্ষে প্রতি ৩৬০° আবর্তন করে ২৪ ঘণ্টায়, অর্থাৎ প্রতি ১° দ্রাঘিমা অতিক্রম করতে ৪ মিনিট সময় লাগে। তাই, দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমার পার্থক্যকে ৪ দিয়ে গুণ করে সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা হয়।
২০° দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য হলো ৮০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট।
গণনা: ২০° × ৪ মিনিট = ৮০ মিনিট।
রাতুল ও প্রতীক কক্সবাজার বেড়াতে গেল। পরিবেশ অনেক শান্ত থাকার কারণে তারা ঘুরে ঘুরে সমুদ্র, দেখছিল। হঠাৎ তারা দেখতে পেল যে, সমুদ্রের পানি ফুলে উঠছে।
উদ্দীপকে সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠার কারণ -
i. কেন্দ্রাতিগ শক্তি
ii. আহ্নিক গতি
iii. বার্ষিক গতি
নিচের কোনটি সঠিক?
উদ্দীপকে সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠার ঘটনাটি হলো জোয়ার-ভাটা। এর জন্য কেন্দ্রাতিগ শক্তি এবং আহ্নিক গতি উভয়ই দায়ী। পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তি এবং আহ্নিক গতির কারণে চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি করে।
চিত্রে চাঁদ ও সূর্যের কোন অবস্থানকে দেখানো হয়েছে?
অমাবস্যা হলো সেই তিথি যখন চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবী প্রায় একটি সরলরেখায় চলে আসে। এই সময়ে চাঁদ পৃথিবীর দিকে তার আলোকিত অংশ না ঘুরিয়ে, সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে। ফলে পৃথিবী থেকে চাঁদকে দেখা যায় না, এবং আকাশ অন্ধকার লাগে। এই কারণেই অমাবস্যাকে "চাঁদহীন রাত" বলা হয়।
এই অধ্যায়ে আরও 378+ প্রশ্ন আছে
ফ্রি সাইন আপ করে সম্পূর্ণ প্র্যাকটিস করো